এনার্জি ড্রিঙ্কসকে স্বীকৃতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বেভারেজ ব্যবসায়ীরা

বাংলা ট্রিবিউন ডেস্ক ২২:৪০ , অক্টোবর ০৪ , ২০১৮

বিবিএমএ’র নেতারা (ছবি: সংগৃহীত)বিএসটিআই ও বাংলাদেশ ফুড সেফটি অথরিটির (বিএফএসএ) এনার্জি ড্রিঙ্কসকে স্বীকৃতি না দেওয়া ও মান প্রণয়ন না করার সাহসী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ বেভারেজ ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (বিবিএমএ)। একইসঙ্গে এই সংগঠনের দাবি, বিবিএমএ’র কোনও সদস্য প্রতিষ্ঠান বিএসটিআই’র মান ব্যতিত কোনও পানীয় উৎপাদন বা বাজারজাত করছে না।

ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়, “সম্প্রতি কোমল পানীয় অর্থাৎ কার্বনেটেড সফট ড্রিঙ্কস নিয়ে জনমনে কিছু ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে। অনেকেই ভুল করে কার্বনেটেড সফট ড্রিঙ্কসকে অন্য দৃষ্টিকোণ থেকে দেখছেন। আমরা আশ্বস্ত করতে চাই, সংগঠনের সব সদস্য বিএসটিআই’র মান ‘বিডিএস ১১২৩’ অনুযায়ী কার্বনেটেড বেভারেজ প্রস্তুত করছে। এগুলো সম্পূর্ণরূপে নিরাপদ।”

বাংলাদেশে বিভিন্ন পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণে একমাত্র সরকারি সংস্থা বিএসটিআই। পণ্যের যথাযথ মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেই বাজারজাতকরণের অনুমোদন দিয়ে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। মান নিয়ন্ত্রণকারী এই সংস্থার প্রতি দেশের জনগণ হিসেবে প্রত্যেকেরই আস্থা থাকা প্রয়োজন বলে মনে করে বিবিএমএ। এনার্জি ড্রিঙ্কসের বিষয়ে বিএসটিআই’র নেওয়া সিদ্ধান্তকে তাই স্বাগত জানিয়েছে সংগঠনটি। এ ব্যাপারে বিএফএসএ’র পদক্ষেপের প্রশংসা করে তারা।

বিবিএমএ’র সদস্যভুক্ত দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর রয়েছে একটি সুবিশাল বাজার। এই বাজারে লাখো মানুষের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি রয়েছে সরকারের বিশাল রাজস্ব আয়। এসব তথ্য জানিয়ে বিবিএমএ-এর সাধারণ সম্পাদক শেখ শামীম উদ্দীনের দাবি, বাংলাদেশে প্রচুর পরিমাণ বেভারেজ আমদানি ও বিক্রয় করা হয়, যেগুলো বিএসটিআই’র মাধ্যমে মান নির্ধারণের কোনও সুযোগ নেই। এসব আমদানিকৃত পণ্যের সঙ্গে দেশে উৎপাদিত মানসম্মত পণ্যকে একই মানদণ্ড বিচার করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে বলে মন্তব্য বিবিএমএ নেতাদের।

এ প্রসঙ্গে বিবিএমএ’র সভাপতি হারুন অর রশীদ বলেন, “বর্তমানে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বিশ্বদরবারে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এই যাত্রায় বেভারেজ শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। বিবিএমএ’র উৎপাদিত পণ্যগুলো বর্তমানে ৯০টিরও বেশি দেশে রফতানির মাধ্যমে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে। বেভারেজ শিল্পের এই অগ্রযাত্রায় সবারই অবদান রয়েছে। আমাদের আশা, এই সহযোগিতার ধারা অব্যাহত থাকবে।”

/সিএ/এমএ/জেএইচ/

x