জীববৈচিত্র্য খাতে অর্থায়নে আগ্রহ কম ব্যাংকগুলোর

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ১৭:০৯ , ডিসেম্বর ০৬ , ২০১৮

জিএমবাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ৫ শতাংশ গ্রিন ব্যাংকিংয়ে অর্থায়ন করার কথা থাকলেও মাত্র দশমিক ৫ শতাংশ অর্থায়ন হচ্ছে। এর মধ্যে জীববৈচিত্র্য খাতে ব্যাংকের অর্থায়ন আরও কম। মাত্র ৮ থেকে ১০ শতাংশ ব্যাংক জীববৈচিত্র্য খাতে অর্থায়ন করছে। এই অর্থায়নের বেশির ভাগই যাচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে। বৃহস্পতিবার (৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) অডিটোরিয়ামে এক গবেষণা প্রতিবেদনে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

‘হাউ টু ইনকরপোরেট বায়ো-ডাইভার্সিটি ইস্যুস ইন গ্রিন ব্যাংকিং ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় গবেষণা প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করা হয়।

কর্মশালায়  বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস. এম. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘গ্রিন ব্যাংকিং ও জীববৈচিত্র্য খাতের অর্থায়নে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কাজ করে যাচ্ছে। এরই মধ্যে গ্রিন ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রে একটি আলাদা গাইড লাইন তৈরি হয়েছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের গাইড লাইনের চেয়ে ব্যাংকারদের সচেনতা জরুরি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. বরকত-এ-খোদা বলেন, ‘জীববৈচিত্র্য খাতে অর্থায়নে পরিবেশের ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করতে হবে। এতে প্রাকৃতিক পরিবেশকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। ব্যাংকগুলোকে এ দিকে নজর দিতে হবে।’

বিআইবিএমের অধ্যাপক ও পরিচালক (ট্রেনিং)  ড. শাহ মো. আহসান হাবীব বলেন,  ‘গ্রিন ব্যাংকিং খাতে একসময় কোনও সচেতনা ছিল না। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে এ অবস্থার ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে।  ব্যাংকারদের মধ্যে সচেতনতা বাড়লে একইভাবে জীববৈচিত্র্য খাতেও একসময় বড় পরিবর্তন আসবে।’

পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও বিআইবিএমের সুপারনিউমারারি অধ্যাপক হেলাল আহমদ চৌধুরী বলেন, ‘গ্রিন ব্যাংকিং ও জীববৈচিত্র্য বিষয়ে সব পর্যায়ে সচেতনতার ঘাটতি রয়েছে। আগামী দিনে এ খাতে অর্থায়নে ব্যাংকারদেরও সচেতন হতে হবে।’

কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বিআইবিএমের মহাপরিচালক ড. তৌফিক আহমদ চৌধুরী, গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন বিআইবিএমের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

 

/জিএম/এমএনএইচ/

x