কোটা রাখুন মেধাবী বানাতে, চাকরিতে নয়

আনিস আলমগীর ১৫:১১ , এপ্রিল ১৭ , ২০১৮

আনিস আলমগীরকোটা সংস্কারের আন্দোলনের পর ১২ এপ্রিল ২০১৮, বৃহস্পতিবার রাজু ভাস্কর্য-এর সামনে এসে ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ-এর আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, যুগ্ম-আহ্বায়ক নুরুল হক নুরু সংবাদ সম্মেলন করে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার আলোকে গেজেট নোটিফিকেশন প্রকাশ পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে ‘মাদার অব এডুকেশন’ উপাধিও দেন।
আন্দোলনটি ছিল নির্দেশনাহীন, বিভ্রান্তিতে ভরা কিন্তু তুমুল জনপ্রিয়। আমি নির্দেশনাহীন বলছি, কারণ সংস্কার চাই বলে আসলে তারা কী সংস্কার চেয়েছে, চায়—তা অনেকের কাছে এখনও পরিষ্কার না। সবচেয়ে বড় কথা মেধাবীরা চাকরি পাচ্ছে না আর মেধাহীনরা তা কোটার নামে লুটে নিচ্ছে, বিশেষ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান, নাতি-নাতনিরা—এটা ছিল এই আন্দোলনের মূল প্রচার। চরম গুজব, মিথ্যা, আর বিভ্রান্তি ছড়ানোর এই আন্দোলন থামাতে সংসদে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর কোটা বাতিলের ঘোষণা ছিল যথার্থ।
কোটা আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য একমুখী ছিল না। সে কারণে সেখানে সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অনুপ্রবেশ ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভিসির বাড়ি তছনছ হয়েছে, সাংবাদিক পেটানো হয়েছে, আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী একজন ছাত্রনেত্রীকে জুতার মালা পরানো হয়েছে, পুলিশের গুলিতে আন্দোলনকারীদের মৃত্যুর গুজব ছড়ানো হয়েছে, মন্ত্রীর সঙ্গে একমত হয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আবার আন্দোলন চালানো হয়েছে।

একটা উদাহরণ দেই। গণজাগরণ মঞ্চ থেকে বড় কোনও স্বতঃস্ফূর্ত জাগরণ সমসাময়িককালে হয়নি। শাহবাগে দীর্ঘদিনের সে আন্দোলনের পুরো সময়জুড়ে প্রতিপক্ষের প্রধান এক নেতা গোলাম আজম পাশের পিজি হাসপাতালে ছিলেন। এই গণজোয়ারে আন্দোলনকারীরা চাইলে পুরো হাসপাতাল তছনছ করে গোলাম আজমকে ধরে শাহবাগে শূলে চড়ানো কোনও ব্যাপার ছিল না। কিন্তু তা হয়নি, কারণ ওই আন্দোলনের লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য নানামুখী ছিল না।

আন্দোলনের সময় ছাত্রদের সমাবেশ ঘুরে উপলব্ধি করেছি যে কোটা সংস্কারের নামে তাদের অনেকের আক্রোশ ছিল মুক্তিযোদ্ধা কোটার প্রতি এবং প্ল্যাকার্ডে সে আক্রোশ প্রকাশও পেয়েছে। আমি নিজে অবশ্য মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য কোটা চাইলেও তাদের নাতি নাততি কোটার পক্ষে ছিলাম না। কারণ, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের কোটা হলে তা শুধু মুক্তিযাদ্ধা প্রজন্মই ভোগ করতে পারে। নাতি নাতনির কোটায় রাজাকারের প্রজন্মও তা ভোগ করতে পারে, কারণ মুক্তিযোদ্ধার সন্তান আর রাজাকারের সন্তানের বিয়েতে কোনও আইনগত বাধা নাই।

তাই বলে আমাদের এটা ভুলে গেলে চলবে না, মুক্তিযোদ্ধাদের ঋণ আমরা কোনোদিন শোধ করতে পারবো না। দীর্ঘদিন পর্যন্ত কোনও সরকারই মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কোনও দৃষ্টি দেননি। প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কিছু পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধাকে চিড়িয়াখানার সামনে একটা দালান করে থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন। অনেক মুক্তিযোদ্ধা ভিক্ষা করে জীবন অতিবাহিত করেছেন। অনেক মুক্তিযোদ্ধা মানবতার জীবনযাপন করে অনাহারে, অর্ধহারে জীবন অতিবাহিত করে বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। শেখ হাসিনার সরকার এসে মুক্তিযোদ্ধাদের পুনর্বাসনের কিছু ব্যবস্থা নিয়েছেন মাত্র।

ভারতে দেখেছি চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের বিপ্লবীদের ভারত সরকার কত যত্ন করে রেখেছেন। অথচ একই বিপ্লবী বিনোদ বিহারী ভারতে যাননি, তিনি বাংলাদেশে ছিলেন আর সারা জীবন প্রাইভেট টিউশনি করে জীবন অতিবাহিত করেছেন। বিপ্লবী কালিপদ চক্রবর্তী ভারত বিভক্তির পর আন্দামানের সেলুলার জেল থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে এসেছিলেন। তিনিও ভারতে যাননি আর এখানে মানবেতর জীবনযাপন করে ইহধাম ত্যাগ করেছেন। বরং মাঝে মাঝে পাকিস্তান সরকার তাকে দেশরক্ষা আইনে জেলে নিয়ে যেত। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধের সময় কালিপদ বাবুকে পাকিস্তান সরকার জেলে আটকিয়ে রেখেছিল দীর্ঘদিন।

হাটহাজারীর মুক্তিযোদ্ধা আলিমুল্ল্যা। মেধাবী ছাত্র ছিলেন। যখন বিএ পড়েন তখনই মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। কত কষ্ট করে তার মা, বাবা, বড় ভাই তার পড়ার খরচ জুগিয়েছে তা প্রতিবেশীরা দেখেছেন। কিন্তু হলদিয়ার সম্মুখ যুদ্ধে আলিমুল্ল্যা শহীদ হন। এখন তার বড় ভাই সাত গ্রামের মৃত ব্যক্তির লাশ ধোয়া, কবর খোঁড়ার কাজ করে সংসার চালায়। এদের যত্ন যদি এই দেশ না নেয়, আমরা না নেই—এদের দীর্ঘশ্বাস কি আমাদের অভিশপ্ত করবে না?

বাংলাদেশে ৪/৫ কোটি লোক চাকরিজীবী আর সরকারি চাকরিওয়ালা মাত্র ১৯/২০ লক্ষ। আর কোটার প্রশ্ন জড়িত শুধু সরকারি চাকরিতে। সরকার গণনা করে দেখাতে পারে কয় হাজার মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সরকারি চাকরি পেয়েছে। জটিল অংকে কোটা আন্দোলনকারীরা দেখাচ্ছেন ৫০ ভাগের বেশি চাকরি কোটায় চলে যাচ্ছে। আর ১১ এপ্রিল সংসদের সন্ধ্যাকালীন অধিবেশনে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী সরল অংকে দেখিয়েছেন, গত বছর কোটায় লোক না পাওয়ায় ৭৭%  লোক নিয়োগ পেয়েছে কোটার বাইরে থেকে।

আন্দোলনরত ছাত্রনেতাদের কাছে প্রধানমন্ত্রী ৭ মে পর্যন্ত সময় চেয়েছিলেন এবং সংস্থাপন সচিবকে প্রধানমন্ত্রী কোটা সংস্কারের ব্যাপারে প্রস্তুতি নেওয়ার কথাও বলেছিলেন। কিন্তু ছাত্রনেতারা প্রধানমন্ত্রীকে ৭ মে পর্যন্ত সময় না দিয়ে সারাদেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে আন্দোলনকারীরা অনেক জায়গায় সড়ক অবরোধ করেছে। তাই প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত সঠিক এবং সময় উপযোগী হয়েছে।

যারা কোটায় চাকরি পাচ্ছে তারা অ-মেধাবী আর মেধাবীরা চাকরি বঞ্চিত—এটাই তো ছিল প্রচারণা। অথচ দেখা যাচ্ছে প্রায় চার লাখ পরীক্ষার্থী বিসিএসে অংশ নেয়। তাদের মধ্য থেকে মাত্র ৫ হাজারের মতো মেধাযুদ্ধে চূড়ান্তভাবে টিকে। কোনোরকম কোটা ছাড়া। চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায় মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী কোটার মতো কোটাগুলোতে অনেক আসন শূন্য পড়ে থাকছে। কারণ, ৫ হাজারের মধ্যে কোটা পূরণের মেধাবী পাওয়া যায়নি।

তাহলে দেখা যাচ্ছে সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, প্রতিবন্ধী—এসব কোটা আসলে লোক দেখানোর পর্যায়ে চলে যাচ্ছে। যে উদ্দেশ্যে কোটা রাখা হচ্ছে তা একটি ‘অসম প্রতিযোগিতার’ কারণে কোটা সুবিধা পাওয়া লোক দিয়ে পূরণ সম্ভব না। কারণ, বিসিএস পাস করার মতো মেধা দিয়ে তাকে প্রস্তুত না করে লড়তে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে মাত্র। তাই একটি সুষ্ঠু, সাম্যের সমাজ প্রতিষ্ঠায় তাদের জন্য উচ্চশিক্ষায় কোটা প্রয়োগ দরকার, যাতে তাদের যথাযথ মেধাবী হিসেবে গড়ে শুধু সরকারি চাকরি নয়, যেকোনও কাজের জন্য প্রস্তুত করা যায়।

শিক্ষকবিহীন, বেঞ্চবিহীন, বই-খাতাবিহীন কোনও এক পাহাড়ি স্কুল বা চরের স্কুলের শিক্ষার্থীরা ঢাকায় একাধিক টিউটর রাখা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নামি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিযুদ্ধে লড়ার শক্তি নেই। সেই যুদ্ধে তাকে কোটা দিয়ে পড়ার সুযোগ দিয়ে প্রকৃত মেধাবী বানিয়ে পাঠাতে হবে চাকরি যুদ্ধে। তবেই না লড়াইটা কিছুটা সমান সমান দাবি করা যাবে। কোটা নিয়ে আন্দোলনের প্রশ্ন, মেধাবীদের বঞ্চনার গল্প তখন হাওয়া হয়ে যাবে।

একটি দৈনিক পত্রিকার এক রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় ৫ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের ‘পোষ্য কোটায়’ ভর্তি পরীক্ষায় পাস নম্বর পেলে প্রত্যেকে ভর্তি হতে পারে। ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী’ কোটা ও ‘প্রতিবন্ধী’ কোটায় ১ শতাংশ করে আসন সংরক্ষিত আছে। খেলোয়াড় কোটাও রয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে বুয়েটে শুধু ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী থেকে আসা শিক্ষার্থীরা কোটা সুবিধা পান। সেটি হাজারে চারটির মতো।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রতি বিভাগে চারটি আসন রয়েছে। পোষ্য কোটায় কোনও সীমা নেই। এছাড়া খেলোয়াড় কোটা, সংস্কৃতি কোটা, প্রতিবন্ধী কোটার প্রতিটিতে ১০টি করে আসন রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য প্রতিবছর তার নিজ ক্ষমতাবলে ২০টি আসনে পছন্দের শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটা (৫ শতাংশ), পোষ্য কোটা (৫ শতাংশ), ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটা (২ শতাংশ) ও শারীরিক প্রতিবন্ধী (২ শতাংশ) কোটা রয়েছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা কোটা রয়েছে মোট আসনের শতকরা ৫ ভাগ। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটায় ১০ জন, প্রতিবন্ধী হিসেবে ১৫ জন ও খেলোয়াড় হিসেবে ১০ জন ভর্তি হতে পারে। এ ছাড়া পোষ্য কোটায় কোনও সীমা নেই।

এই পরিসংখ্যান বলছে, যাদের জন্য চাকরিতে কোটা রাখা না রাখার প্রশ্নে রাজপথে যুদ্ধ হচ্ছে তারা শিক্ষা গ্রহণে, মেধা অর্জনেরই সুযোগ পাচ্ছে না, চাকরি তো পরের বিষয়। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের যে শিক্ষকরা চাকরিতে কোটা রাখার বিরোধিতা করে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করছেন, নিজেদের পোষ্যদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে সীমাহীন কোটা রাখতে তাদের সমস্যা নেই। একেই বলে ভণ্ডামি!

শিক্ষা কোটা বণ্টনে একটি আদর্শ প্রতিষ্ঠান ঢাকার নটরডেম কলেজ, হলিক্রস কলেজ। এসব প্রতিষ্ঠান সরকার নির্ধারিত কোটার বাইরে নিজস্ব চিন্তায় খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী কোটা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থী কোটা চালু রেখেছে। তারা একটা সুষম সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখছে। অন্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটা মনে হয় নামে আছে, কিন্তু ঢাকা শহরে নটরডেম কলেজে পড়ুয়া গ্রামের অনেক ছেলে, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ছেলের যখন দেখা পাই, মনে হয় অন্যদের মতো নামে নয়, সেটা বাস্তবেও কার্যকর।

অন্যদিকে ভর্তির সুযোগ পেলেও শিক্ষাব্যয় বহনের সামর্থ্য নেই অনেকের। সরকারি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সে সুযোগ কতটা দেয় আমার সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু ঢাকার ইউনির্ভাসিটি অব লিবারেল আর্টস (ইউল্যাব) মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য, প্রত্যন্ত অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিনা বেতনে পড়ার যে প্রচুর সুযোগ রেখেছে সেটা আমি দেখেছি। পেতেও সহায়তা করেছি। এছাড়া প্রত্যেক ছাত্রীর জন্য তারা ১০ শতাংশ টিউশন ফি মওকুফ করেছে। নটরডেমের মতো, ইউল্যাবের মতো যেসব প্রতিষ্ঠান স্বল্প পরিসরে হলেও শিক্ষায় সুষম সুযোগদানের চেষ্টা চালাচ্ছে সরকারের উচিত তাদের বিশেষ উৎসাহ দেওয়া, অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এমন নীতি চালু করতে বলা।

কেউ কেউ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিমান করে কোটা বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন। দেশ চালানোর দায়িত্ব নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতাসীন হয়েছেন। দেশকে জিম্মি করার বা অচল করার দায়িত্ব নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর নয়। সে কারণে বলবো, কোটা বাতিলটাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত। এখন যাদের জন্য আমরা কোটা রাখা উচিত মনে করছি তাদের কোটা দিয়ে আগে শিক্ষিত করার, মেধাবী করার চিন্তা করি। নয়তো বিসিএসে, সরকারি চাকরিতে তাদের জন্য কোটা রাখা না রাখায় তাদের কিছু যায় আসে না।

লেখক: সাংবাদিক

anisalamgir@gmail.com

/এসএএস/এমওএফ/

x