নির্বাচন ২০১৮: দূর থেকে দেখা

ওমর শেহাব ১৯:০৭ , জানুয়ারি ০৮ , ২০১৯

ওমর শেহাবএবারের নির্বাচন নিয়ে এর মধ্যেই আমি বেশ কয়েকটি লেখা পড়ে ফেলেছি। আমি নিজে ভোটার হওয়ার পর শুধু ২০০৮ সালের নির্বাচনে ভোট দিয়েছি। দায়িত্বজ্ঞানহীনভাবে সেবার ‘না’ ভোট দেওয়ার কারণে আমার লজ্জার কোনও শেষ নেই। বেশ কয়েকটি কারণে এবারের নির্বাচন নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল। এটি ছিল শাহবাগ আন্দোলনের পরে দ্বিতীয় নির্বাচন। কাজেই সেই আন্দোলনের প্রভাব এখনও আছে কিনা এবার সেটি আমাদের দেখার সুযোগ ছিল। বিএনপি-জামায়াতের ঐক্যফ্রন্ট যখন বঙ্গবন্ধু বলতে বলতে মুখে ফেনা তুলে ফেলে, তার মানে শাহবাগ আন্দোলনের প্রভাব কিছু তো পড়েছেই। এর বাইরে আমার খুব আশা ছিল টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থেকে ফুলে ফেঁপে আওয়ামী লীগ ভেঙে একাধিক দল হবে আর নির্বাচনের বাজারে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে বিশ্বাসী ভোটাররা প্রত্যেকটি নিজেদের মতাদর্শের একাধিক প্রার্থী পাবেন। আমার আরেকটি ধারণা ছিল বিএনপি এবারও নির্বাচনে আসবে না। যারা এরপরও এই লেখাটি পড়বেন তারা আশা করি এর মধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে আমার জ্ঞান কেমন সেটি টের পেয়ে গেছেন!
একটি বিষয়ে আগে থেকেই সতর্ক করিয়ে দেই। এই নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে কিনা? হলেও সেটি সার্বিক ফলাফল পরিবর্তন করার মতো কিনা? এসব প্রশ্নের সুনির্দিষ্ট উত্তর আমি দিতে পারবো না। কেন পারবো না?

প্রথমত, নির্বাচনে কারচুপি করা ফৌজদারি অপরাধ। আমার পরিচিত যাদের আমি বিশ্বাস করি তাদের কিছু কথা বলতে পারবো। কিন্তু তারা নিজেরা এটি নিয়ে যেহেতু মামলা করেননি, সেহেতু আমি জানি যারা আমার কথা পছন্দ করবেন না তারা এটি ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেবেন। ধরলাম কারচুপি হয়েছে, এটি কি এমন পর্যায়ে হয়েছে যে, না হলে ড. কামাল হোসেন তার বিএনপি-জামায়াতের সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে জিতে যেতেন? এটি আরও কঠিন প্রশ্ন। আমি কেবল আমার পরিচিতদের তথ্য দিয়ে এটির উত্তর দিতে পারতাম যদি বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশি ভোটার আমার বন্ধু হতেন। কিন্তু আমার বন্ধুভাগ্য অত ভালো নয়।

এর একমাত্র উপায় হলো পেশাদার তদন্তকারী বা জরিপকারীদের দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা। যদি অর্ধেকের বেশি সংসদীয় আসনে এমন কারচুপি হয়ে থাকে যে সেগুলোর প্রত্যেকটির অর্ধেকের বেশি ভোটকেন্দ্রে ফলাফল পাল্টে গেছে, তাহলে বলা যাবে কারচুপি না হলে অন্য কোনও দল বা জোট সরকার গঠন করতো।

আমি এই কারণে লেখা শুরু করার আগে ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম এই আশায় যে, ঐক্যফ্রন্ট তাদের পরিসংখ্যান হাজির করবে। কিন্তু যখন তাদের স্মারকলিপিতে পরিসংখ্যান একটিই পাওয়া গেছে যেটির আবার নিম্ন ও ঊর্ধ্বসীমা যথাক্রমে ৩০% ও ৬০% , তখন বুঝলাম সঠিক নির্বাচন হওয়া নিয়ে তাদের আন্তরিকতা তাদের নির্বাচনি ইশতেহারের মতোই– যেটি বঙ্গবন্ধু উপগ্রহের কক্ষপথ ভুল দাবি করে হাইস্কুলের বাচ্চাদেরও হাসির পাত্র হয়েছিল।

কিন্তু আমাদের নির্বাচনের মান তো অলস রাজনীতিবিদদের উদ্যম কবে ফিরে আসবে তার জন্য বসে থাকতে পারে না। এখন দেখতে হবে পরিসংখ্যান অনুযায়ী কোনও আসনে অনেক বেশি ভোট পড়ে গেছে কিনা। যেমন, ১৩টি আসনে নব্বই শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। ঐতিহাসিকভাবে যদি এসব এলাকার মানুষ গড়পড়তা বাংলাদেশির চেয়ে বেশি রাজনীতি সচেতন হয় কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু তদন্ত না করলে সেটি বোঝা যাবে না। নির্বাচন কমিশন যদি এই ব্যাপারগুলো তদন্ত না করে তাহলে এসব আসনের নির্বাচনের মান নিয়ে কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যাবে।

এছাড়া বগুড়ার একটি কেন্দ্রে শতভাগ ভোট পড়েছে। এ ব্যাপারটি খুবই অস্বাভাবিক! কিন্তু আমি অবাক হয়ে লক্ষ করলাম প্রধান নির্বাচন কমিশনারের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ছিল এতে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটেছে। অথচ তার প্রথম প্রতিক্রিয়া হওয়া উচিত ছিল একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা। আমার ধারণা, যেহেতু নির্বাচনের আগের স্বাধীন জরিপ অনুযায়ী আওয়ামী লীগের জেতার কথা এবং বাস্তবে তা-ই ঘটেছে, কাজেই নির্বাচনের মান নিয়ে তদন্ত করার ব্যাপারে কমিশনের ওপর তেমন কোনও চাপ নেই। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বিএনপি-জামায়াতকে মানুষ পছন্দ করে নাই শুধু এটাতেই সন্তুষ্ট হয়ে বসে থাকার কিছু নেই। একটি ভোটকেন্দ্রে যদি এক হাজার ভোটার থাকে আর তার মধ্যে নয়শ নিরানব্বই জন ঠিকমত ভোট দিতে পারে আর শুধু একজনের ভোট হাইজ্যাক হয়ে যায়, তাহলে সেই একজনের জন্য কিন্তু গণতন্ত্র কথাটি অর্থহীন হয়ে যায়।

প্রত্যেকটি মানুষের ভোট (এমনকি যাদের সঙ্গে আমাদের মতাদর্শ মিলবে না তাদেরও) সমান গুরুত্বপূর্ণ। আর নিজের কাছে তো নিজের ভোটই হলো নিজেকে রাষ্ট্রের নাগরিক ভাবার মূল সূত্র। সার্বিক ফলাফলের মান যাচাইয়ের জন্য বেশিরভাগ নির্বাচন সুষ্ঠু হওয়াটা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, প্রত্যেকটি নাগরিকদের কাছে গণতন্ত্র অর্থবহ করার জন্য তেমনি প্রত্যেকটি ভোট সুষ্ঠু হওয়াটাও গুরুত্বপূর্ণ। দুর্ঘটনা ঘটতেই পারে। কেন্দ্রে দাফতরিক জটিলতা থাকতে পারে, কোনও কর্মকর্তার ভুল হতে পারে, বা ভোটিং মেশিনে সমস্যা থাকতে পারে। ঠিক সময়ের মধ্যে সমাধান করতে পারলে এই সমস্যাগুলো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার ওপর ভোটারদের আস্থা কমায় না। কিন্তু কোনও ভোটার যদি দেখে যে নির্বাচনের মূল উদ্দেশ্য হলো সার্বিকভাবে ফলাফল ঠিক রাখা আর যদি ফলাফল পাল্টে দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ না হলে ছোটখাটো কারচুপিগুলো নিয়ে মাথা ঘামানো হচ্ছে না, তাহলে তো সমস্যা।

আবারও বলে রাখি, ব্যক্তিগত পরিচিতদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষের ভোট দিতে পারা বা না পারা নির্বাচনের সার্বিক মান সম্পর্কে কিছু বলে না। নির্বাচনের সার্বিক মান নিয়ে বলতে হলে পেশাদার জরিপকারী দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। আমার ব্যক্তিগত পরিচিতির বলয়ে বেশিরভাগ মানুষ ভোট দিতে পেরেছেন। তবে, যারা ভোটকেন্দ্রে গিয়েছেন তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে আবার বেশ কিছু সমস্যার কথা শুনেছি। যেহেতু এই ঘটনাগুলো আমার পরিচিত মানুষের কাছ থেকে শোনা, তাই সঙ্গত কারণেই নাম প্রকাশ করলাম না।

যাহোক, ভোটকেন্দ্রে ঢোকার আগে আমি যেসব অভিযোগের কথা শুনেছি তার মধ্যে একটি হলো, কেন্দ্রে ঢুকতেই না দেওয়া।

ধরেন, আপনার কাছে একটি স্লিপ আছে, যেটি অন্য দলের কোনও প্রার্থীর কর্মীরা দিয়েছে কিন্তু কেন্দ্রের বাইরে আওয়ামী লীগের কর্মীরা দাঁড়িয়ে আছে। তারা অন্য মার্কাওয়ালা স্লিপ হাতে কাউকে ঢুকতে দিচ্ছে না। এই অভিযোগও শুনেছি। এরকম হলে তো বিপদ। আমার এক ছাত্রী জানিয়েছে, সে যখন ভোট দেওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিল তখন হঠাৎ কিছু মানুষ এসে বললো একটু পরে মারামারি হবে, আপনারা চলে যান! এই শুনে আসলেই কিছু মানুষ বাসায় পালিয়ে গিয়েছিল। একটি নির্বাচনি কেন্দ্রের বাইরে তো এসব হওয়ার কথা না। অবশ্য একশভাগ ভোট পড়ার পর যদি নির্বাচন কমিশন বলে জনরায়ের প্রতিফলন ঘটেছে তাহলে দেখা যাবে এক্ষেত্রে তাদের যুক্তি হচ্ছে ভোটকেন্দ্রের বাইরে কী হচ্ছে সেটির দায়িত্ব তাদের না।

ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ভোটিং মেশিন নিয়ে আমার পরিচিতদের মধ্যে তেমন কোনও অভিযোগ শুনিনি। তবে এমন অভিযোগ আছে যে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কারও পোলিং এজেন্ট দেখা যায়নি। এ ব্যাপারটি নিয়ে জানুয়ারির চার তারিখে একটি দৈনিকে প্রতিবেদন এসেছে। মূল অভিযোগটি হলো আওয়ামী লীগের লোকজন ভয় দেখিয়ে অন্য দলের পোলিং এজেন্টদের বের করে দিয়েছে। সার্বিকভাবে নির্বাচনের হিসাব পাল্টে দেওয়ার জন্য অনেক পোলিং এজেন্টকে বের করে দিতে হবে– এরকম কোনও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সেই দৈনিকে করা হয়নি। সেটি আমার লেখার বিষয়ও না। আমার কথা হলো যদি চল্লিশ হাজার ভোটকেন্দ্রের একটিতে এ ব্যাপারটি ঘটে থাকে, নির্বাচন কমিশনের সেটি খুব আন্তরিকতার সঙ্গে তদন্ত করা উচিত বলে আমি মনে করি।

এর বাইরে বিবিসি বাংলায় একটি অভিযোগ দেখেছি যে চট্টগ্রামের একটি কেন্দ্রে সকাল ৭:৩০-এ যখন ব্যালট বক্স আনা হয়, সেটি ভরা ছিল। এটির কথা সাংবাদিকরা প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানিয়েছেন তদন্ত করা হচ্ছে। আমি তার ফলাফল জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। পরিচিতদের মধ্যে ভোটিং মেশিন নিয়ে কোনও অভিযোগ না শুনলেও তার আশপাশের পরিবেশ নিয়ে শুনেছি। দু’জন বলেছেন তারা মেশিনে বোতাম চাপার আগে পেছন দিক থেকে একজন অন্য একটি মার্কায় চাপ দিয়ে দিয়েছে। এর বাইরে আরও কয়েকজনের কাছে শুনেছি ভোট দেওয়ার সময় আশপাশে লোক দাঁড়িয়ে ছিল। তাদের গোপনে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। আমি যেটি বুঝতে পারি নাই সেটি হলো আশপাশে দাঁড়িয়ে থাকার মতো লোক এলো কোথা থেকে? ভোটকেন্দ্রে শুধু যাদের থাকার কথা তার বাইরে আরও লোক থাকলে কারো না কারো তো চাকরি চলে যাওয়ার কথা।

ভোটকেন্দ্রের ভেতরের পরিবেশ নিয়ে এসব অভিযোগ শুনতে শুনতে মনে হলো আমাদের এবার ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ও ক্যামেরা বসানোর সময় এসেছে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে প্রত্যেক এটিএম বুথে যদি একাধিক সিসিটিভ ক্যামেরা থাকে তাহলে ভোটকেন্দ্রের মতো আরও গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় না থাকার কোনও কারণ নেই। সবচেয়ে ভালো হয় যদি দিনশেষে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রত‌্যেক প্রার্থীর কাছে একটি করে রেকর্ডিং পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে। তাহলে কেউ যদি ফলাফল নিয়ে আদালতে মামলা করতে চান তাহলে এই রেকর্ডিংকে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।

আমি তারপর পরিচিত একজন পুলিশের কর্মকর্তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন যেহেতু গোটা নির্বাচনের বাজেট হাজার কোটি টাকার ওপরে, তার মধ্যে সিসিটিভি বসানোর বাজেট হবে তুলনামূলকভাবে খুবই নগণ্য, কাজেই এটি করাই যায়। পুরো ব‌্যাপারটির নির্ভরতা বাড়ানোর জন্য সকালবেলা একবার চালু করার পর থেকে দিনশেষে প্রত্যেক প্রার্থীকে রেকর্ডিংয়ের একটি কপি দেওয়া পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয় হতে হবে, যাতে মানুষের হাতের ছোঁয়া না লাগে। এই বিশেষায়িত প্রযুক্তি বাজারে নাও থাকতে পারে ভেবে আমি সিলেটের একজন প্রযুক্তিবিদ, যে ড্রোন তৈরি করে নাম কামিয়েছেন, তাকে জিজ্ঞেস করলাম। সেও এক বছরে বেশ অল্প টাকার মধ্যে (এক কোটি টাকার নিচে) এই প্রযুক্তি তৈরি করা সম্ভব বলে জানাল। আশা করি নির্বাচন কমিশন এই প্রযুক্তি ব্যবহার করার মাধ্যমে এক ঢিলে কয়েক পাখি মারা যায় কিনা ভেবে দেখবে।

সবাই জানতো এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জিতবে। মানুষের হাতে খুব বেশি উপায় ছিল না। একদিকে ছিল মানবতাবিরোধীদের বিচার, পদ্মা সেতু, শক্তিশালী অর্থনীতি আর অন্যদিকে ড. কামাল হোসেন, তারেক জিয়া, আর জামায়াতে ইসলামী। কাজেই সার্বিক ফলাফল নিয়ে খুব একটা কারও অভিযোগ নেই। কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে মনে রাখতে হবে তাদের মূল কাজ নির্বাচন করা না, তাদের মূল কাজ হলো প্রত্যেকবারের নির্বাচন আগের বারের চেয়ে ভালো করা। সেটি যদি তারা করতে চায় তাহলে তাদের কেন্দ্রভিত্তিক নির্বাচনের মান যাচাইয়ের জন্য একটি ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে এবং প্রত্যেকবার সেটি স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হবে। 

আর আওয়ামী লীগকে মনে রাখতে হবে খুব সম্ভবত আগামী নির্বাচন হবে আওয়ামী লীগের সাথে আওয়ামী লীগের। বিএনপি ছিল আমাদের ইতিহাসের একটি দুর্ঘটনা, একটি আকস্মিক বুদবুদ। এই বুদবুদের সাথে জেতার জন্যও যদি আওয়ামী লীগকে ভোটিং মেশিনে ভোটারের পেছনে দাঁড়িয়ে চুপিসারে হাত বাড়িয়ে নৌকায় চাপ দিয়ে পালিয়ে যেতে হয়, তাহলে সেই ভোটারের জন্য আওয়ামী লীগ হলো আরেকটি বড় বুদবুদ!

তথ্যসূত্র:

[১]  "রাতে ৩০-৬০ শতাংশ ভোট ব্যালট বাক্সে রাখার অভিযোগ ঐক্যফ্রন্টের", বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট, প্রকাশিত: ১৮:২১, জানুয়ারি ০৩, ২০১৯, http://bit.ly/2CUW0vD

[২] "১৮৬ আসনে ৮০ শতাংশের বেশি ভোট", হারুন আল রশিদ, ঢাকা ০১ জানুয়ারি, ২০১৯ , দৈনিক প্রথম আলো, http://bit.ly/2C3VvgU

[৩] "শতভাগ ভোট!", স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, দ্য ডেইলি স্টার, ১২:৫১ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ০১, ২০১৯, http://bit.ly/2C2DT53

[৪] "Where were all the missing polling agents?", Zyma Islam, The Daily Star, 12:00 AM, January 04, 2019, http://bit.ly/2AxSVj8

[৫] "Ballot box stuffed with votes found in Ctg: BBC", The New Age, Staff Correspondent, Published: 10:54, Dec 30,2018, http://bit.ly/2TBBWE1

লেখক: কোয়ান্টাম কম্পিউটার বিজ্ঞানী, আয়নকিউ, মেরিল্যান্ড, সংযুক্ত শিক্ষক, ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র।

 

/এসএএস/এমওএফ/

x