ডাকসু নিয়ে হৈচৈ, জাকসু চাকসু রাকসু ‘কই’?

শান্তনু চৌধুরী ১৬:৩২ , ফেব্রুয়ারি ১১ , ২০১৯

শান্তনু চৌধুরীবেশ একটা উৎসব উৎসব ভাব এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায়। এমনিতে সারা বছর নানা আয়োজন তো থাকেই ক্যাম্পাস বা আশপাশের এলাকাকে ঘিরে। সেটি আরও বহুগুণ বাড়িয়ে আসছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন। প্রতিদিন গণমাধ্যমে শিরোনাম। কোনও না কোনও আলোচনা, বার্তা তো রয়েছেই। নির্বাচনের প্রস্তুতি যেমন চলছে তেমনি বাইরেও সেই আয়োজন চোখে পড়ছে বেশি করে। নতুনরূপে সাজছে ডাকসু ভবন। দীর্ঘদিন পর শুরু হয়েছে সংস্কার কাজ। ভিপি, জিএস, কমনরুমসহ সব কক্ষই পরিষ্কার করা হচ্ছে। হল সংসদেও চলছে সংস্কার কাজ। এসব দেখলেই যেকোনও শিক্ষার্থীরই মন ভরে ওঠার কথা। আবার বিপরীত চিত্রও রয়েছে, শঙ্কা কাজ করছে নির্বাচন না জানি একতরফা হয়, শঙ্কা- নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো প্রকাশ্যে রাজনীতির সুযোগ খুঁজতে পারে বলে।
ইতোমধ্যে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ক্যাম্পাসে মিছিল করেছে। তবে এই আলোচনা সেসব নিয়ে নয়। আলোচনা দীর্ঘশ্বাস নিয়ে। বিশেষ করে জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়ারা যারা যুগের পর যুগ ক্যাম্পাসে থেকেও সিনেটে নিজেদের প্রতিনিধি বাছাইয়ের সুযোগ পাননি, তারা এখনও আশায় বুক বাঁধতে পারছেন না বলে।

প্রাসঙ্গিক বিবেচনা করে এখানে ডাকসু নির্বাচনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস বলা যেতে পারে। সর্বশেষ ১৯৯০ সালের ৬ জুন ডাকসু নির্বাচন হয়। ২০১২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ জন শিক্ষার্থীর করা একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ১৭ জানুয়ারি হাইকোর্ট পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন করতে আদেশ দেন। পরের মাসে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেয় ২০১৯ সালের মার্চের মধ্যে এই নির্বাচন হবে। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর থেকে ডাকসু নির্বাচনের তোড়জোড় শুরু হয়। আগামী ১১ মার্চ এই নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ডামাডোল শুরু হওয়ার পর চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জোর দাবি উঠেছে। এই চারটি বিশ্ববিদ্যালয় ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আদেশ অনুযায়ী পরিচালিত হয়। কিন্তু ওই আদেশ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে পাঁচজন করে নির্বাচিত ছাত্র প্রতিনিধি থাকার কথা থাকলেও নব্বইয়ের দশক থেকে তা বন্ধ রয়েছে। এ কারণে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ছাত্রদের কোনও মতামত দেওয়ার জায়গা নেই।

১৯৮৯ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), ১৯৯০ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও ১৯৯২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)-এর সর্বশেষ নির্বাচন হয়।

নিজের বিশ্ববিদ্যালয় বলে চাকসুর প্রতি আগ্রটা বরাবরই বেশি। সর্বশেষ চাকসু নির্বাচন হয় ২৯ বছর আগে। ১৯৯০ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনের সময় দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। নির্বাচনের ১০ মাস পর এরশাদের পতন হয়। এরপরে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে কয়েক দফায় ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। তবে কেউই চাকসু নির্বাচন নিয়ে মাথা ঘামায়নি। নির্বাচনের দাবিতে ছাত্রলীগসহ অন্যান্য ছাত্রসংগঠন দীর্ঘদিন ধরে কর্মসূচি পালন করে আসছে। সর্বশেষ ১৪ জানুয়ারি মানববন্ধন করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এক মাসের আলটিমেটাম দিয়েছে। এর আগে চাকসু নির্বাচনের দাবিতে ২০১৫ সালের ২৭ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে স্মারকলিপি দিয়েছিল ছাত্রলীগ। আর ২০১৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশন চত্বরে মানববন্ধন করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। কিছু দিন আগে নির্বাচনের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ছাত্র ইউনিয়ন। মানববন্ধন করেছে ইসলামী ছাত্রসেনা। এতো ছাত্রসংগঠন দাবি জানালেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনও হেলদোল নেই বললেই চলে। উপরন্তু উপাচার্য মনে করেন, নির্বাচনের আগে বিভিন্ন গ্রুপ-উপ গ্রুপ এক হয়ে তাকে লিখিত জানালেই তিনি নির্বাচন দিতে রাজি হবেন। ছাত্র সংগঠনগুলোর উপ-গ্রুপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে বলেও তিনি স্বীকার করেন। এদিকে, রাকসু নির্বাচনের দাবিতে ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন সময় আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষার্থীরা। মানববন্ধন, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন, বিক্ষোভ, গণস্বাক্ষর ও স্মারকলিপির মতো বেশ কয়েক ধাপে সেখানে আন্দোলন হয়েছে। অবশেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে ছাত্র সংগঠনগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনায় বসছে রাকসু সংলাপ কমিটি। এটি একটি ভালো দিক বলা যেতে পারে। নির্বাচন যখনই হোক না কেন, আলোচনার মধ্যে নিয়ে নির্বাচনের পথে একধাপ এগুনো হলো। 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯২ সালে সর্বশেষ ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়। ১৯৯৩ সালের ২৯ জুলাই শিক্ষক ক্লাবে ছাত্ররা শিক্ষকদের ওপর হামলা চালায়। এর জের ধরে প্রশাসন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ভেঙে দেয়। এরপর আর কোনও নির্বাচন হয়নি। ২০১৩ সালে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন জাকসু নির্বাচনের ঘোষণা দেন। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক একেএম শাহনেওয়াজকে প্রধান করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। পরবর্তী বছরের জানুয়ারিতে নির্বাচনের তারিখও ঘোষণা করা হয়। ১৯ থেকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় সাড়ে চারশ’ মনোনয়নপত্র বিতরণ করা হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের কেউ মনোনয়নপত্র নেয়নি। মনোনয়নপত্র বিতরণের শেষ দিনে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নির্বাচন কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জাকসু নির্বাচনের আয়োজন করা হবে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়। কিন্তু এরপর আর কোনও আয়োজন হয়নি। এখন ডাকসু নির্বাচনের উদ্যোগ নেওয়ার পর জাকসু নির্বাচনের দাবিতে দেয়ালে লেখালেখি করছেন প্রগতিশীল বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের  নেতাকর্মীরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নির্বাচনের দাবি উঠেছে। দেয়ালে ‘৩ মাসের মধ্যে জাকসু নির্বাচনের তফসিল দাও’, ‘যে ভিসি জাকসু দেয় না, সেই ভিসি চাই না’ ইত্যাদি লেখা দেখা যাচ্ছে। জানা গেছে, প্রশাসন এক বছর সময় চেয়েছে। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ‘শাকসু’ নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। ৩ ফেব্রুয়ারি এই মিছিল হয়।

এসব নিয়ে বিভিন্ন সময়ে আলোচনায় নানা কথা উঠে আসে। সখ্যের সুবাধে বন্ধুপ্রতিম বা সিনিয়র অনেক শিক্ষকের সঙ্গেও কথা হয়। চাকসু ভিপি নাজিম এখনও নিজেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিপি হিসেবে পরিচয় দেন। তার একমাত্র কারণ, তখনকার সংসদ ভেঙে না দেওয়ায় সেটি এখনো বহাল রয়েছে। কিন্তু কথা হচ্ছে কেন নির্বাচন দিতে চায় না বা নির্বাচন হয় না। এর প্রধান কারণ সরকারের সদিচ্ছার অভাব। সরকার না চাইলে কোনও মতেই নির্বাচন করা সম্ভব নয়। ২০১৭ সালে জাকসু নির্বাচন না হওয়ার কারণ হিসেবেও তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ কথা বলেছিলেন। এই যেমন ডাকসু নির্বাচনের কথায় ধরি না কেন। সংকট নিয়ে কিন্তু আলোচনা এখনও হচ্ছে। ১৪টি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে ১১টি সংগঠন চায় হলের ভোটকেন্দ্র হলে নয়, কাছের একাডেমিক ভবনে স্থাপন করতে হবে। এ নিয়ে বিরূপ মন্তব্যও করেছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম। তিনি বলেছেন, ‘ডাকসু নির্বাচনের ভোট যেন রাতের অভিযান না হয়।’ সব ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান এখনও নিশ্চিত হয়নি বলে দাবি রয়েছে। এসব কিছুর পরও সরকারের সবুজ সংকতে রয়েছে বলেই নির্বাচনের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। যেমন, সরকারপ্রধানও ইতোমধ্যে নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন ডাকসু নির্বাচন নিয়ে। আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভ্রাতৃপ্রতিম এই সংগঠনের নেতাদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে। শুধু বর্তমান সরকার নয়, বছরের পর বছর অন্য সরকারও তখন হয়তো চায়নি নির্বাচন হোক। এটি তারা করেছে শঙ্কা থেকে। কারণ, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাছাই হলে সেখানে ক্ষমতাসীন বা প্রধান রাজনৈতিক দলের অনেক নেতাই হয়তো বাদ পড়ে যাবেন।

আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়। গেলো সময়গুলোতে আমাদের ছাত্র রাজনীতি ক্রমশ কলুষিত হয়েছে। টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, হল দখল বা যখন যারা ক্ষমতায় তাদের ছাত্র সংগঠনগুলোর কাছে জিম্মি থাকেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ে টিকে থাকার স্বার্থে সে সময় হয়তো শিক্ষার্থীরা চুপ থাকেন বা প্রতিদিনের মিটিং মিছিলে অনেকের দেখা মেলে না। কিন্তু ভোটের রাজনীতির হিসাব আলাদা। সেখানে নীরব বিপ্লব বলে একটা কথা রয়েছে। বা যেটিকে বলা যেতে পারে ব্যালট বিপ্লব। এখন সেটি যদি ক্ষমতাসীনদের বিপক্ষে যায় সে শঙ্কা থেকে নির্বাচন দেওয়া হয় না। বলা হয়ে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বাস্তবতা হলো সেখানে এখন উপাচার্যও নির্বাচিত হয় সরকারের ইচ্ছায়। কাজেই ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও সরকারের সবুজ সংকেতটা জরুরি। একথা ঠিক যে ছাত্র সংসদ থাকা মানেই শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধিত্ব থাকা। এটি শিক্ষার সামগ্রিক উন্নয়নে যেমন জরুরি তেমনি জরুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্বার্থেও। বছরের পর বছর সিনেট অধিবেশন চলছে, সেখানে শিক্ষা সংশ্লিষ্ট নানা সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে কিন্তু তাতে ছাত্রছাত্রীদের কোনও প্রতিনিধি নেই- বিষয়টি ভাবতেই শিউরে উঠতে হয়। সে কারণে ছাত্র সংগঠনগুলোকে নানা দাবিতে আন্দোলন করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে খুন, সংঘর্ষ, দখল লেগেই থাকে। কাজেই শুধু ডাকসু নয়, অন্য তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরও যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ রয়েছে সেগুলোকে দ্রুত বেগবান করতে পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সেই পরিবেশ সৃষ্টির প্রথম উদ্যোগ নিতে হবে সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনকে। কারণ, তারা যতই মুখে বলুক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব সংগঠনের শিক্ষার্থীদের সহাবস্থান রয়েছে, বাস্তবে যে তা নেই সেটা সবারই জানা। সে কারণে পরিবেশটা সৃষ্টি করা জরুরি। পরিবেশ সৃষ্টির বিষয়টি যে জরুরি সেটি চবি ও জাবির দুই উপাচার্যের সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যেও ফুটে উঠেছে। জাবি উপাচার্য বলেছেন, ‘পরিবেশ নেই’। আর চবির উপাচার্য চেয়েছেন কোনও পক্ষ মারামারি করবে না  এমন চুক্তি। ছাত্র সংগঠনগুলোর কাজে কতটা আতঙ্কিত হলে তিনি এমন কথা বলতে পারেন। কাজেই ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য আন্দোলনের যেমন যৌক্তিকতা রয়েছে তেমনি সেই আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলতে হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে নিজেদের প্রতি আস্থাবান করে তুলতে হবে। সেই পথ ধরেই হয়তো আসবে সরকারের সবুজ সংকেত। হাজার হাজার শিক্ষার্থী পাবেন স্বপ্নের ছাত্র সংগঠনের প্রতিনিধি, যারা তার অধিকার নিয়ে কথা বলবেন। সোচ্চার হবেন। আর এতে উন্নত হবে শিক্ষার পরিবেশ। প্রশাসনের চাপিয়ে দেওয়া যেকোনও বিষয়ে তখন আর ক্যাম্পাসে মিছিল মিটিং বা সমাবেশ করতে হবে না। সংসদের প্রতিনিধি কথা বলবেন তাদের হয়ে। কাজেই ডাকসুর পর ভাবতে হবে জাকসু, চাকসু, রাকসু, শাকসু নিয়ে। যেখান থেকে বেরিয়ে আসবেন আগামীর নেতৃত্ব। স্বপ্নীল সোনার বাংলার মেধাবী প্রজন্ম।

 লেখক: সাংবাদিক ও সাহিত্যিক

/এসএএস/এমওএফ/

x