বাংলাদেশ-ভারতের চুক্তিগুলো নিয়ে কিছু প্রাসঙ্গিক তথ্য

ড. সেলিম মাহমুদ ১৫:২৮ , অক্টোবর ১০ , ২০১৯

ড. সেলিম মাহমুদবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নিয়ে যারা আজ  মায়াকান্না করছেন, তাদের উদ্দেশে কিছু কথা বলতে চাই। ভৌগোলিক দিক থেকে বাংলাদেশ পুরোপুরি তিন দিক থেকে ভারতের সীমানা দ্বারা পরিবেষ্টিত। অনেক ক্ষেত্রে আমাদের দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। বাংলাদেশ-ভারতের মোট সীমানা ৪ হাজার ১৫৬ কিলোমিটার, যা পৃথিবীর পঞ্চম দীর্ঘ স্থল সীমানা। এই দীর্ঘ সীমানা সম্বলিত নিকটতম প্রতিবেশী হওয়ার কারণে দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু পারস্পরিক নির্ভরশীলতার বিষয় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ ধরনের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আমাদের অনেক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই স্বার্থ আদায়ের একমাত্র পথই হচ্ছে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে চুক্তি সম্পাদন। পৃথিবীর সব সভ্য ও উন্নত দেশ তাদের প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণ করেছে। ইউরোপের রাষ্ট্রগুলো তাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে অসংখ্য চুক্তি করেছে।
বাংলাদেশ-ভারতের চুক্তিগুলো

বাংলাদেশ ও ভারতের সঙ্গে এ যাবৎ ৯১টি চুক্তি/সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় মোট ১১টি চুক্তি হয়েছিল, যার সবকটিই বাংলাদেশের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য করা হয়েছিল। পঁচাত্তর পরবর্তী তিন সরকারের সময় অর্থাৎ জেনারেল জিয়া, জেনারেল এরশাদ ও খালেদা জিয়ার তিন সরকার মিলে সর্বমোট তিনটি চুক্তি করতে সক্ষম হয়েছিল। ৫ মে ১৯৭৮ তারিখে বিমান চলাচল সম্পর্কিত একটি চুক্তি হয়। ২০ ডিসেম্বর ১৯৮০ তারিখে দুই দেশের ব্যবসায়ী সমিতিগুলোর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। তারপর ৩১ জুলাই ১৯৯১ তারিখে দুই দেশের মধ্যে বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি বিষয়ে সহযোগিতা সম্পর্কিত চুক্তি হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের উদ্যোগে ভারতের সঙ্গে মোট ৭৭টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তিগুলোর প্রায় সবকটিই বাংলাদেশের স্বার্থে করা হয়েছিল।

আপনাদের মনে আছে, বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সম্পাদিত পঁচিশ বছরের ফ্রেন্ডশিপ চুক্তিকে ‘গোলামি চুক্তি’ বলে অপপ্রচার করেছিল পঁচাত্তর পরবর্তী অবৈধ সরকারগুলো ও তাদের উচ্ছিষ্টভোগী কিছু নীতিভ্রষ্ট বুদ্ধিজীবী। অথচ জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ ও মর্যাদার সুরক্ষা বিবেচনায় জাতির পিতার সরকারের সঙ্গে ভারত সরকারের এই চুক্তি ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে শ্রেষ্ঠতম চুক্তি। এই চুক্তির মাধ্যমেই মাত্র তিন মাসের মাথায় ভারত বাংলাদেশ থেকে তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছিল। পৃথিবীর প্রাচীন যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত কোনও অঞ্চলে যুদ্ধপরবর্তী সময়ে এভাবে সৈন্য প্রত্যাহারের ঘটনা ঘটেনি। প্রকৃত অর্থে, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে টেকসই করার ক্ষেত্রে এই চুক্তির বিশেষ ভূমিকা ছিল। মহলবিশেষ এতো বছর এটিকে একটি ‘গোলামি চুক্তি’ হিসেবে অপপ্রচার করলেও এই চুক্তির বারোটি (১২) অনুচ্ছেদের প্রতিটি অনুচ্ছেদই ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের পরিচায়ক ও বাংলাদেশের স্বার্থের অনুকূলে। ভৌগোলিক সীমারেখা বিবেচনায় প্রতিবেশী কোনও ছোট রাষ্ট্রের সঙ্গে বৃহৎ কোনও রাষ্ট্রের এই ধরনের আন্তরিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ চুক্তি পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল।

বাংলাদেশ-ভারত দুই দেশের স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়গুলোর বহুমাত্রিক দিক রয়েছে। দুই দেশের সম্পর্ককে একটি দীর্ঘ পথপরিক্রমা বলা যেতে পারে। একটি বা দুইটি চুক্তির মাধ্যমেই এই সম্পর্কের পূর্ণতা বা সার্বিকতা মূল্যায়ন করা যায় না। দুয়েকটি ছাড়া দ্বিপাক্ষিক প্রায় সব চুক্তিতেই বাংলাদেশের স্বার্থ বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ইতোপূর্বে ভারতের সঙ্গে তার প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে নদী সংক্রান্ত মোট পাঁচটি চুক্তি হয়েছিল। এর মধ্যে নদীর পানি বণ্টনের চুক্তি হয়েছিল মাত্র দুটি, যার একটি বাংলাদেশের স্বার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে করা হয়েছিল ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর।

ফেনী নদীর পানি ব্যবহার সম্পর্কিত চুক্তি প্রসঙ্গে

এই সফরে পানি বণ্টনের যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, সেটি কনভেনশনাল পানি বণ্টন চুক্তি নয়। ত্রিপুরার সাব্রুম শহরের জন্য খাবার পানি হিসেবে ফেনী নদীর মোট পানি প্রবাহের মাত্র ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি প্রত্যাহার করা হবে, যা ফেনী নদীর শুষ্ক মৌসুমের পানি প্রবাহের মাত্র শূন্য দশমিক ২২ শতাংশ। আমি মনে করি, এই সমঝোতা স্মারক ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে যেসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে, তার ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। একটি কথা আমাদের মনে রাখতে হবে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এখন আর ‘zero sum game principle’ কার্যকরী নয়। এর পরিবর্তে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এখন পৃথিবীব্যাপী ‘win-win principle’ কার্যকরী হচ্ছে। ‘zero sum game principle’ এর অর্থ হচ্ছে একজনের কিছু সুবিধা পাওয়াকে অন্য পক্ষের স্বার্থবিরোধী মনে করা হয়। অন্যদিকে, ‘win-win principle’-এর অর্থ হচ্ছে, এক পক্ষ কিছু সুবিধা পেলে অন্য পক্ষ তাতে মন খারাপ না করে তার নিজের স্বার্থটাই দেখা উচিত।

এলপিজি রফতানি প্রসঙ্গে

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় এলপিজি রফতানি নিয়ে যে অপপ্রচার হচ্ছে, সেটা নিয়ে কথা বলা দরকার। আমরা কোনও গ্যাস রফতানি করছি না। বাংলাদেশের দুটি বেসরকারি কোম্পানি বিদেশ থেকে এলপিজি আমদানি করে তার অংশবিশেষ সেখানে রফতানি করবে। আর সেটিও বাংলাদেশের এলপিজির চাহিদা মেটানোর পরই তারা রফতানি করবে। এই এলপিজি আমাদের দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাস কিংবা আমদানিকৃত এলএনজি থেকে উৎপাদিত হচ্ছে না। এটি crude oil থেকে উৎপাদিত আমদানিকৃত এলপিজি। বাংলাদেশের দু’টি কোম্পানির পক্ষ থেকে ভারতে এলপিজি রফতানির বিষয়টি নিঃসন্দেহে অর্থনীতির অগ্রগতির সূচকে বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক হবে। এছাড়া, এলপিজির এই বাণিজ্য বাংলাদশে-ভারত সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এই জন্য যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীতি অনুযায়ী আন্তঃরাষ্ট্রীয় জ্বালানি বাণিজ্য ভূ-রাজনীতিকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে।

একইভাবে আমাদেরও জ্বালানির জন্য ভারতের ওপর নির্ভরশীলতা রয়েছে। আমাদের দেশের উত্তরাঞ্চলে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারির শিলিগুড়ি টার্মিনাল থেকে বাংলাদেশের পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০ কি.মি. দীর্ঘ ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন নির্মাণ করা হচ্ছে। আমাদেরও ভারতের কাছ থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করতে হচ্ছে। তাছাড়া, যেই ত্রিপুরার একটি শহরকে ফেনী নদী থেকে আমরা সামান্য খাবার পানি দিচ্ছি, তারা তাদের নিজস্ব গ্যাস পুড়িয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে সেই বিদ্যুৎ আমাদের দিচ্ছে। আর গ্যাস রফতানির যে কথা বলা হচ্ছে, সে প্রসঙ্গে কিছু বলা উচিত। গ্যাস রফতানি শেখ হাসিনার সরকার করতে দেয়নি, তাই আওয়ামী লীগকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে নির্বাচনে হারানো হয়েছিল। এই বিষয়ে পরবর্তী অংশে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

ঐতিহাসিকভাবে জাতীয় ও আঞ্চলিক জ্বালানি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় ক্রসবর্ডার বা আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাণিজ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম রাষ্ট্রনায়ক যিনি ‘এনার্জি  ডিপ্লোমেসি’-কে আন্তর্জাতিক, আঞ্চলিক, উপ-আঞ্চলিক ও দ্বিপাক্ষিক পর্যায়ে প্রধান্য দিয়ে আসছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ভারত থেকে নির্ভরযোগ্য ও সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ আনার জন্য ভেড়ামারায় যে ক্রসবর্ডার ইন্টারকানেকশন স্থাপিত হয়েছে, সেটি বাংলাদেশের জন্য একটি যুগান্তকারী ঘটনা। এছাড়া ভারতের ত্রিপুরার সঙ্গে ক্রসবর্ডার ইন্টারকানেকশন স্থাপিত হয়েছে। ইতোমধ্যে দেশের মোট সরবরাহকৃত বিদ্যুতের ৭% (১১৬০ মেগাওয়াট) ভারত থেকে আসছে, যা দেশের উৎপাদিত বিদ্যুতের গড় মূল্যের তুলনায় অনেক সাশ্রয়ী। এছাড়া ভারতের ঝাড়খণ্ড ও ত্রিপুরা থেকে যথাক্রমে ১৪৯৬ ও ৩৪০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎসহ মোট ১৮৩৬ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। সরকার আশা করছে, ২০৪১ সাল নাগাদ আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বাণিজ্য ও রিজিওনাল গ্রিড থেকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ পাবে।

বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার স্বার্থে শেখ হাসিনার সরকার জলবিদ্যুৎ সক্ষমতা সমৃদ্ধ ভুটান ও নেপাল থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করছে। নেপালের সঙ্গে ইতোমধ্যে সমঝোতা স্মারক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভুটানের সঙ্গে চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। ভুটান ও নেপালের সঙ্গে বাংলাদেশের পৃথক পৃথক বিদ্যুৎ বাণিজ্যে ভারত অংশীদার হিসেবে থাকছে। এই বিদ্যুৎ আমদানিতে ভারতের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমাদের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ক্রসবর্ডার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বাণিজ্যের গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা রয়েছে। তাই আমাদের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের ক্ষেত্রে ভারতের সার্বিক সহযোগিতা দরকার।

গ্যাস নিয়ে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের দেশবিরোধী নীতি

আজকে আমাদের কেন এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে? বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের ভ্রান্তনীতি ও দেশবিরোধী সিদ্ধান্তের কারণেই আজকে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে আমদানি করা হচ্ছে। আপনাদের মনে আছে, ২০০৪/২০০৫ সালে মিয়ানমার থেকে স্বল্পমূল্যে পাইপলাইন গ্যাস আমদানির প্রস্তাব ছিল। বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও ভারতের মধ্যে এ বিষয়ে MOU স্বাক্ষরও হয়েছিল। ওই সময়ে দীর্ঘমেয়াদি পাইপলাইন প্রকল্প থেকে যে পরিমাণ গ্যাস পাওয়ার কথা ছিল, সেটি পাওয়া গেলে আজ  আমাদের এভাবে এলএনজি আমদানি করতে হতো না। আরেকটি বিষয় উল্লেখ্য, ওই সময়ে বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্পে অংশগ্রহণ করলে মিয়ানমার পরবর্তীতে রোহিঙ্গা ইস্যুর মতো একটি প্রকট মানবিক সংকট চাপিয়ে দেওয়ার মতো আচরণ আমাদের সঙ্গে করতে পারতো না। কারণ আন্তর্জাতিক সম্পর্কের নীতি অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি আন্তঃরাষ্ট্রীয় জ্বালানি বাণিজ্য ভূ-রাজনীতিকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। খালেদা জিয়ার সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে মিয়ানমার থেকে গ্যাস পাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করলেও ২০০১ সালে নির্বাচনের পর দেশের সীমিত গ্যাস সম্পদ বিদেশে রফতানির উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল। কারণ নির্বাচনের পূর্বে গ্যাস রফতানির মুচলেকা দিয়ে বিএনপি-জামায়াত ষড়যন্ত্রমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছিল। অথচ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০০ সালে জাতীয় স্বার্থ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সীমিত জাতীয় সম্পদ গ্যাস রফতানির সিদ্ধান্তের পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদে নিজস্ব ব্যবহারের জন্য গ্যাস মজুতের সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন। দেশের স্বার্থে গৃহীত এই সিদ্ধান্তের কারণেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আসতে দেওয়া হয়নি। পরবর্তী সময়ে ২০০৩ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগের প্রতিরোধের মুখে খালেদা জিয়ার সরকার ইতোপূর্বে তারই গৃহীত গ্যাস রফতানির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। অর্থাৎ জাতির পিতা যে গ্যাস সম্পদ আমাদের দিয়ে গিয়েছিলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা তথা সার্বিক উন্নয়নের জন্য সেই সম্পদ রক্ষা করেছিলেন তাঁরই কন্যা শেখ হাসিনা।

লেখক: সমন্বয়কারী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়; সদস্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ইশতেহার প্রণয়ন কমিটি, টিম লিডার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ডাটাবেজ প্রোগ্রাম

 

/এসএএস/এমএমজে/

x