বন্যায় হাকালুকি হাওরে ৪৮টি বিদ্যালয়ের বেহাল দশা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ০৬:৪৬ , আগস্ট ১২ , ২০১৭

মৌলভীবাজারসম্প্রতি বন্যায় আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় মৌলভীবাজার জেলার ৪৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর সংস্কার না করায় বিদ্যালয়ের ভবনগুলোর বেহাল দশা হয়েছে।

যেসব স্কুল ও মাদ্রাসা আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলো হলো- হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়, ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয়, কানসাই হাকালুকি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, টেকাহালী উচ্চ বিদ্যালয়, পশ্চিম বর্নি এবি উচ্চ বিদ্যালয়, পাকশাইল আইডিয়াল হাই স্কুল, বর্ণি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, মাইজগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, ইটাউরী হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী সামছুল হক আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, ইউনাইটেড উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাতুলা উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাহবাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, সুজানগর পাথারিয়া কলেজ, গল্লাসাংগন দাখিল মাদ্রাসা, তালিমপুর বাহারপুর উচ্চ বিদ্যালয়, ফকিরবাজার দাখিল মাদ্রাসা, এম মন্তাজিম আলী মহাবিদ্যালয়, উত্তর কুলাউড়া উচ্চ বিদ্যালয়, সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়, গিয়াসনগর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, ভুকশিমইল মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ, বঙ্গবন্ধু আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, নবীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, ছকাপন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, গৌড়করন দাখিল মাদ্রাসা, ভুকশিমইল আলিম মাদ্রাসা, ইয়াকুব তাজুল মহিলা ডিগ্রি কলেজ, জালালাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়, শ্রীপুর উচ্চ বিদ্যালয়, শাহপুর জামেয়া ইসলামিয়া দাখির মাদ্রাসা, হাকালুকি আশ্রয়কেন্দ্র নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, নিরোধ বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়, জায়ফরনগর উচ্চ বিদ্যালয়, জাঙ্গীরাই দাখিল মাদ্রাসা, জায়ফরনগর ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, নয়াগ্রাম শিমুলতলা দাখিল মাদ্রাসা, পাতিলা সাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়,  মুক্তাদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাজী সোনা মিয়া-আপ্তরুন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়, শিলুয়া উচ্চ বিদ্যালয়, কৃষ্ণনগর বাছিরপুর নিম্ন বিদ্যালয়, এম এ মুছাওয়ীর দাখিল মাদ্রাসা, জীবনজ্যোতিনগর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, জুড়ি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, হযরত শাহ খাকী (র.)আলিম মাদ্রাসা। এগুলোর মধ্যে ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখনও আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

মৌলভীবাজার জেলা শিক্ষা প্রকৌশলী শেখ নাছিম রেজা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাসহ মোট ৪৮টি প্রতিষ্ঠানে বেহাল দশা। বর্তমানে এসব প্রতিষ্ঠানে ছাদের পলেস্তর খসে পড়ছে। কোনোটির দেয়াল ভেঙে গেছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সরেজমিন পরিদর্শন করে তালিকা করা হয়েছে। বরাদ্দ পেলে শিগগিরই  সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হবে।’

এদিকে মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আব্দুল আলীম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্কুল থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। ফলে নিয়মিত ক্লাস চলছে স্কুলগুলোতে। বন্যায় আমাদের ১৬০টি বিদ্যালয়ে এক কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

/এসএনএইচ/

x