রাঙামাটিতে পাহাড় ধস অনুসন্ধান কমিটির সভা

রাঙামাটি প্রতিনিধি ০৩:০৬ , আগস্ট ১৩ , ২০১৭

পাহাড় ধসের কারণ নির্ণয়ে অনুসন্ধান কমিটির সভাপার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির ২৫তম বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় হতে তিন পার্বত্য জেলায় সংঘটিত পাহাড় ধসে প্রকৃতি ও মানুষ কতটুকু দায়ী, তা অনুসন্ধানে  গঠিত কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শনিবার (১২ আগস্ট) সকালে রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয়) ও কমিটির আহ্বায়ক মানিক লাল বণিকের সভাপতিত্বে সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (সমন্বয়-২) এ এস এম শাহেন রেজা, খাগড়াছড়ি জেলার এডিসি ড. মো. গোফরান ফারুকী, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা ছাদেক আহমদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূরুজ্জামান, রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য সবির কুমার চাকমা, পরিষদের সদস্য রেমলিয়ানা পাংখোয়া, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. আব্দুল জব্বার, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী আব্দুস সামাদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মুজিবুল আলম, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মনতোষ চাকমা, জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা, রাঙামাটির ডিআরআরও বিশ্বনাথ মজুমদার, খাগড়াছড়ি জেলার ডিআরআরও এসএম শান্তনু চৌধুরী, রাঙামাটি জেলা প্রশাসকের সহ-কমিশনার মো. ফারুক সুফিয়ান, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাখাওয়াৎ হোসেন রুবেল, খাগড়াছড়ি সওজ এর  মো. আব্দুস সহিদ, রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক সুনীল কান্তি দে’সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত ১৩ জুন তিন পার্বত্য জেলায় পাহাড় ধসের কারণ হিসেবে সভায় বক্তারা অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, ঘন ঘন বজ্রপাত, অপরিকল্পিতভাবে পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি নির্মাণ, বন উজাড়, ভারী যানবাহন চলাচল, অপটিক্যাল ফাইবার লাইন স্থাপন, রাস্তার পাশে জুম চাষসহ বিভিন্ন কারণগুলো উপস্থাপন করেন।

সভায় রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ সদস্য সবির কুমার চাকমা বলেন, ‘তিন পার্বত্য জেলায় সম্প্রতি যে পাহাড় ধস ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে অনেক সময় লাগবে। বিশেষ করে রাঙামাটিতে শহরের পাশাপাশি অন্যান্য উপজেলায় পাহাড় ধস ও বন্যায় ঘরবাড়ি, ফলদ-বনজ বাগান ও ধানি জমির যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা সরেজমিনে গিয়ে না দেখলে বোঝা সম্ভব নয়।’ তাই শহর এলাকাসহ অন্যান্য উপজেলাগুলোতেও নজর দেওয়ার পাশাপাশি এ জেলার উন্নয়নে পরিষদের বাজেট বৃদ্ধিরও আহ্বান জানান তিনি।

পার্বত্য জেলায় ভূমি ধস ও বন্যায় সৃষ্ট ক্ষতিগুলো পুষিয়ে নিতে সভায় উত্থাপিত পয়েন্টগুলো পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের স্থায়ী কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সমন্বয়) ও কমিটির আহ্বায়ক মানিক লাল বণিক।

/এপিএইচ/

 

Advertisement

Advertisement

Pran-RFL ad on bangla Tribune x