ক্যামেরার তুলিতে আঁকা অসহায় এক চিত্রশিল্পীর জীবন (ভিডিও)

বিনোদন রিপোর্ট ২০:০৩ , এপ্রিল ২০ , ২০১৯

ট্রেলারে ‘আলফা’র দুটি অসাধারণ দৃশ্য প্রায় ৮ বছর পর মুক্তি পাচ্ছে নন্দিত নির্মাতা নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর নতুন চলচ্চিত্র ‘আলফা’। ছবিটি নির্মিত হয়েছে সাম্প্রতিক সময়ের এক অসহায় চিত্রশিল্পীকে ঘিরে।
ইতোমধ্যে ‘আলফা’ আসন্ন সার্ক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনীর জন্য বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে পাঠানো হয়েছে শ্রীলঙ্কায়। তার আগেই ২৬ এপ্রিল ছবিটি মুক্তি পাচ্ছে দেশের প্রেক্ষাগৃহে।
সেই সূত্রে আজ (২০ এপ্রিল) অন্তর্জালে উন্মুক্ত হয়েছে ছবিটির ট্রেলার। যা দেখে, মুগ্ধ হচ্ছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা। যেখানে ছোট্ট করে উঠে এসেছে, তৃতীয় বিশ্বের একজন শহুরে চিত্রশিল্পীর কিছু বেদনার গল্প। যেখানে নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু ক্যামেরার তুলিতে এঁকেছেন যান্ত্রিক শহরে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া ও অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে বেঁচে থাকা এক চিত্রশিল্পীর জীবন।
পুরো ট্রেলারজুড়ে অব্যক্ত বেদনার চিত্র ফুটে উঠেছে। ধারা পড়েছে ঢাকা শহরের একজন রিকশা পেইন্টারের গল্প।
‘আলফা’র মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন নবীন অভিনয়শিল্পী আলমগীর কবির। তার সঙ্গে আছেন দোয়েল ম্যাশ। আরও আছেন এটিএম শামসুজ্জামান হীরা চৌধুরী, ইশরাত নিশাত, মোস্তাফিজ নূর ইমরান, ভাস্কর রাসা প্রমুখ।
ফরিদুর রেজা সাগর ও এশা ইউসুফ প্রযোজিত এবং ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ব্যানারে নির্মিত এ সিনেমার কাহিনি, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করছেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু। সম্পাদনায় ছিলেন ক্যাথরিন মাসুদ।
ইমপ্রেস টেলিফিল্মের কনসালটেন্ট (ফিল্ম) ও নির্মাতা আবু শাহেদ ইমন ছবিটি প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘দীর্ঘদিন পর বাচ্চু ভাইয়ের (নাসির উদ্দীন ইউসুফ) কোনও ছবি বড় পর্দায় আসছে। ইতোমধ্যে ‘আলফা’ আসন্ন সার্ক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শনীর জন্য বাংলাদেশ থেকে পাঠানো হয়েছে। তার আগেই দেশের দর্শক ছবিটি দেখতে পারবেন। আশা করছি তার নির্মাণে ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ‘গেরিলা’ যেভাবে দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছে, ‘আলফা’ও তার দর্শক খুঁজে নেবে।’’
ট্রেলার:

১৯৯৩ সালে মুক্তি পেয়েছিলো শাহরিয়ার কবিরের উপন্যাস অবলম্বনে নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চুর প্রথম চলচ্চিত্র ‘একাত্তরের যীশু’। এরপর ২০১১ সালে সৈয়দ শামসুল হকের ‘নিষিদ্ধ লোবান’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মাণ করেন ‘গেরিলা’। দুটো ছবিই বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধকে ঘিরে আবর্তিত। দুটোই প্রশংসা কুড়িয়েছে।
বিশেষ করে ‘গেরিলা’ ছবিটি মুগ্ধ করেছে দেশের সর্বস্তরের দর্শক-সমালোচকদের। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম রূপালি দলিল হিসেবেও ছবিটি চিহ্নিত হয়ে আছে।

/এমএম/

x