বিক্ষোভ-সংঘর্ষে রণক্ষেত্র গাজা-পশ্চিম তীর, আহত ৩১

বিদেশ ডেস্ক ০৩:২৭ , ডিসেম্বর ০৮ , ২০১৭

ইসরায়েলি সেনার সামনে এক ফিলিস্তিনি বৃদ্ধবিক্ষোভ-সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকা ও অধিকৃত পশ্চিম তীর। ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করলে ইসরায়েলি বাহিনী তাদের দমনে বলপ্রয়োগ করলে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে অন্তত ৩১ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পবিত্র শহর জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির প্রতিবাদে এ বিক্ষোভ দেখান ফিলিস্তিনিরা। খবর বিবিসির।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওই ঘোষণার পর ক্ষুব্ধ ফিলিস্তিনিরা রাস্তায় নেমে আসেন। শুক্রবার থেকে নতুন ইন্তিফাদারও ডাক দিয়েছে ফিলিস্তিনি মুক্তি আন্দোলনের সংগঠন হামাস। ফিলিস্তিনিদের ঠেকাতে ইসরায়েল পশ্চিম তীরে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে।

ফিলিস্তিনিরা রাস্তায় টায়ারে আগুন জ্বেলে বিক্ষোভ করেন। তারা পাথর ছুড়লে ইসরায়েলি সেনারা গুলি করার পাশাপাশি টিয়ার গ্যাস ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা উপত্যকা থেকে ছোড়া একটি রকেট ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে বিস্ফোরিত হয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েলি ট্যাংক ও বিমান থেকে গাজায় ‘সন্ত্রাসীদের দুটি পোস্টে’ হামলা চালানো হয়। তবে এ হামলার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। 

বৃহস্পতিবার গাজায় এক সংবাদ সম্মেলনে হামাস নেতা ইসমাঈল হানিয়া বলেন, শত্রুর মোকাবিলায় আমাদের ইন্তিফাদা ঘোষণা করা এবং সে অনুযায়ী কাজ করা উচিত। একইসঙ্গে শুক্রবার থেকে গণবিক্ষোভের ডাক দেন তিনি। টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ওই ভাষণে তিনি বলেন, ‘জেরুজালেমকে রক্ষার নতুন ইন্তিফাদায় অংশ নিতে শুক্রবার থেকে ফিলিস্তিনিদের রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। দখলদারদের বিরুদ্ধে এ ইন্তিফাদায় বিজয়ের ব্যাপারে আমাদের আত্মবিশ্বাস রয়েছে। যে কোনও ধরনের হুমকি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হামাসের সব ইউনিটকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন: জেরুজালেমের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখার আহ্বান পোপ ও এরদোয়ানের

/এএম/

x