অচলাবস্থা নিরসনে ডেমোক্র্যাটদের উদ্যোগ ভেস্তে গেলো

বিদেশ ডেস্ক ১৮:১৭ , জানুয়ারি ১১ , ২০১৯

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বৃহস্পতিবার যখন টেক্সাস-মেক্সিকো সীমান্ত ঘুরে বেড়াচ্ছেন তখন সরকারের আংশিক অচলাবস্থা নিরসনের  জন্য সিনেটের আলোচনা থমকে পড়ে। ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্যরা দিনটি ব্যয় করেছেন ভোটাভুটিতে। তবে অচলাবস্থা কাটিয়ে ওঠার কোনও সুরাহা হয়নি। ডেমোক্র্যাটরা অচলাবস্থা নিরসনে একটি বিকল্প প্রস্তাব করলেও সিনেটের রিপাবলিকান নেতা মিচ মাইকেল তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এখবর জানিয়েছে।

সিনেটের আলোচনায় ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার প্রস্তাব দেন, কেন্দ্রীয় সরকারের অচলাবস্থা নিরসনে সীমান্ত দেয়ালের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এমন সংস্থা ও সেবাগুলো চালু করার জন্য এবং দেয়ালের অর্থায়ন নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার। কিন্তু সিনেটের রিপাবলিকান নেতা ম্যাককনেল এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, রাজনৈতিক অবস্থান আমাদের কোনও সমাধানে নিয়ে যাবে না।

রিপাবলিকান নেতা স্পষ্ট করেন যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্বাক্ষর করবেন না এমন কোনও বিল তারা গ্রহণ করবেন না। আর প্রেসিডেন্ট সীমান্তে দেয়াল নির্মাণের জন্য ৫০০ কোটি ডলার বরাদ্দের ব্যাপারে অনড়।

গত সপ্তাহে প্রতিনিধি পরিষদে কয়েকটি বিল পাস হয় যাতে সরকারের আংশিক অচলাবস্থার নিরসন হবে। এই সপ্তাহেও এমন কয়েকটি বিল পাস হতে শুরু করেছে। কিন্তু হোয়াইট হাউস থেকে এসব বিলের বিরুদ্ধে ভেটো ক্ষমতা প্রয়োগের হুমকি দেওয়া হয়েছে। সিনেটে পাস হওয়া বিলগুলোতে সরকারি কর্মীদের মজুরি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার বলেছেন, প্রেসিডেন্ট নিজের অবস্থানে অনড় থাকলেও সিনেটের রিপাবলিকানদের অবশ্যই পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এদিকে, চলমান শাটডাউন বন্ধের দাবিতে মিছিল করেছেন দেশটির সরকারি কর্মীরা। বৃহস্পতিবার শাটডাউন ২০ তম দিনে ‘আমাদের বেতন চাই’ স্লোগান দিয়ে হোয়াইট হাউস অভিমুখে মিছিল করেন তারা। 

মেক্সিকো সীমান্তে দেয়াল নির্মাণে বরাদ্দ অনুমোদনের প্রশ্নে ট্রাম্পের সঙ্গে ডেমোক্র্যাটদের সমঝোতা না হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারে চলছে আংশিক অচলাবস্থা বা শাটডাউন। তারপরও দেয়াল নির্মাণের প্রশ্নে অনড় অবস্থানে রয়েছেন ট্রাম্প। কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষ (প্রতিনিধি পরিষদ) এখন ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণে। সম্প্রতি প্রতিনিধি পরিষদ একটি বাজেট বিল পাস করলেও তাতে মেক্সিকো সীমান্তের জন্য তহবিল বরাদ্দ রাখা হয়নি। 

শাটডাউনের কারণে দেশটির ৮ লাখ সরকারি কর্মীকে ঘরে থাকতে কিংবা বেতন ছাড়া কাজ করতে বলা হয়েছে।

 

/এএ/

x