তুর্কি চারুকলা শিক্ষিকার তিন হাজার কফি মগের সংগ্রহশালা

জার্নি ডেস্ক ২০:০৮ , আগস্ট ২১ , ২০১৯

কফি কাপ সংগ্রহে ১২ বছর ব্যয় করেছেন মেসুদ ইসিকলিপ্রায় প্রতিটি দেশের সংস্কৃতিতে গরম পানীয় সম্পর্কিত নিজস্ব ঐতিহ্য আছে। বিশেষ করে চা কিংবা কফি। তুর্কিরা এক্ষেত্রে বেশি পছন্দ করে ‘তুর্ক কাহভেসি’ নামের একটি কফি। তুর্কি কফি বললে তুরস্কে সবাই বুঝে ফেলে এই পানীয়র কথা।

‘তুর্ক কাহভেসি’ প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের মন জয় করে আসছে। এর দারুণ স্বাদে বিমোহিত হয় সব বয়সীরা। তুরস্কের ইতিহাসে তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর মায়াময় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত হয় তুর্কি কফি।

তুর্কি সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকা তুর্কি কফি নিয়ে ব্যাপক আগ্রহী দেশটির ওসমানিয়ে অঞ্চলের বাসিন্দা চারুকলা শিক্ষিকা মেসুদ ইসিকলি। তুর্কি জীবনের এই দিকটি তার মন ছুঁয়ে যায়। তাই কফির কাপ সংগ্রহ করে তা জমাতে থাকেন তিনি। এক বন্ধু প্রাচীন আমলের একটি তুর্কি কফি কাপ উপহার দেয় তাকে। চীনামাটির সঙ্গে চোখধাঁধানো তুর্কি নকশা রয়েছে এতে। এরপর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন ঢঙের কফি কাপ সংগ্রহের কাজ শুরু করেন তিনি।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে মেসুদ ইসিকলি বলেন, ‘বিশেষ দিনে কফিতে চুমুক দিয়ে আমাদের আলোচনা শুরু হয়। আমি ও আমার পরিবার কফি খুব পছন্দ করি। কফির প্রতি আবেগই আমাকে কফি মগ সংগ্রহে কৌতূহলী করে তুলেছে।’

কফি কাপ সংগ্রহে ১২ বছর ব্যয় করেছেন মেসুদ ইসিকলি১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে তিন হাজার কফি মগ সংগ্রহ করেছেন মেসুদ ইসিকলি। এর মধ্যে বেশিরভাগেই তুরস্কের প্রাচীন নিদর্শনের পরিচয় মেলে। তার সংগ্রহশালায় থাকা কাপগুলোর আদল ও আকার হাজার রকম।

মেসুদ জানান, তার সংগ্রহে ১২০ বছর ও ৮০ বছর বয়সী কাপও আছে! তিনি মনে করেন, প্রতিটি কাপ আলাদা স্মৃতির গল্প ধরে রেখেছে। কারণ এগুলো দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত হয়েছে। 

পরিবার ও বন্ধুদের সহায়তায় নিজের সংগ্রহশালা বড় হওয়ায় তাদের প্রতি ধন্যবাদ জানান মেসুদ। তবে প্রথম মগটি তার কাছে বিশেষ হয়ে আছে।

/জেএইচ/

x