জাপানি পোশাক ব্র্যান্ড এখন বাংলাদেশে

লাইফস্টাইল ডেস্ক ১৪:৫৫ , জানুয়ারি ১৪ , ২০১৮

সুপরিচিত জাপানি লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড মিনিসো এখন বাংলাদেশে। বনানীতে মিনিসো তাদের প্রথম ফ্ল্যাগশিপ স্টোরটি চালু করেছে গত শুক্রবার।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল জাপানি ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্র টাইকো ড্রামিং এর আওয়াজ দিয়ে শুরু হয় অনুষ্ঠান। এরপরপরই ছিল রিবন কেটে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করার আয়োজন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মিঃ মিয়াকি জুনইয়া, মিনিসো গ্লোবাল এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও চীফ ডিজাইনার, মডেল ও চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম, উপস্থাপিকা ও চিত্রনায়িকা মাসুমা রহমান নাবিলা, সংগীতশিল্পী মিনার রহমানসহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ।

মিঃ মিয়াকি জুনইয়া বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি সুন্দর দেশ। এখানকার জনগণ পরিশ্রম দিয়ে তাদের অর্থনীতিকে টেকসই ও স্থিতিশীল করেছে। ফলে জনগণের রুচির বৈচিত্র্য বেড়েছে এবং মধ্যবিত্তের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মিনিসোর চমৎকার নকশা এবং সাশ্রয়ী মূল্যের পণ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন স্তরের ক্রেতার চাহিদা বেশ ভালমতোই পূরণ করতে পারবে বলে আমাদের বিশ্বাস। বাংলাদেশের আছে বিপুল জনসংখ্যা এবং খরচ করার স্পৃহা। সবমিলিয়ে মিনিসো বাংলাদেশকে একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট বাজার হিসেবে নিয়েছে।"

‘মিনিসো’কে অসামান্য করতে আমরা ডেনমার্ক, সুইডেন, নরওয়ে এবং জাপান থেকে শীর্ষ ডিজাইনারদের অন্তর্ভুক্ত করেছি। আমরা আশা করি বাংলাদেশ আমাদের পণ্যগুলি ভালোবাসবে এবং নকশা ও গুণের পেছনে আমাদের অনুভূতিগুলো বুঝতে পারবে।" মিঃ মিয়াকি জুনইয়া যোগ করেন।

জাপানের ফার্স্ট-ফ্যাশন ডিজাইনার ব্র্যান্ড হিসেবে, মিনিসো এর জন্ম হয় ২০১৩ সালে টোকিওতে। এর পেছনে ছিলেন জাপানি তরুণ ডিজাইনার মিঃ মিয়াকি জুনইয়া এবং চীনের তরুণ উদ্যোক্তা ইয়ে গোওফু। সরল, ইকো-ফ্রেন্ডলি এবং ভালো মানের পণ্য সবমিলিয়ে মিনিসো ভোক্তাদের মধ্যে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

৪১ টি দেশে তিন হাজারের বেশি মিনিসো স্টোর আছে। লাইফস্টাইলের  বিভিন্ন বিভাগ আছে এখানে যার প্রতিটি আইটেম সুন্দর ডিজাইন এবং টেকসই। মিনিসো’র মূল লক্ষ্য উচ্চমানের জীবনযাপন করতে ভোক্তাদের সাহায্য করা।

ক্রিয়েটিভ হোম-ওয়ার, ব্যাগ, স্পোর্টস-ফিটনেস, আউটডোর অ্যাকসেসরি, গেজেটস, আইসিটি পণ্য, স্বাস্থ্য এবং সৌন্দর্য, স্টেশনরি ও উপহার, খেলনা, মৌসুমি পণ্য এবং আরো বৈচিত্র্যপূর্ণ জিনিসপত্রের সমাহার এই স্টোরে। প্রিয়জনকে উপহার দিতে চাইলে এখানেই সব পাওয়া যাবে স্বল্পমূল্যে।

 

/এফএএন/

x