চেনা সুরের রাগ-রঙ

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায় ১৮:০৩ , জুলাই ০৪ , ২০১৮

প্রসঙ্গ ভৈরবী ।। পর্ব-২

অনেকগুলি চেনা গানের কথা বলেছি, যার প্রতিটিই ভৈরবীতে বাঁধা। আরো অনেক গানের কথাও বলব, কারণ, প্রথমেই বলেছি আমাদের গানে ভৈরবী প্রায় অফুরন্ত একটি রাগ। অজস্র গান পাবেন এই রাগে আর কত রকমের তাদের রূপ, কত বৈচিত্র্য! আর তাদের মধ্যে থেকে একটি গান আপনাকে বেছে নিতে হবে। যদি একাধিক গান মনে রাখতে পারেন, তবে আরো ভালো হবে, কারণ তাতে নানা বৈচিত্র্যের মধ্যেও ভৈরবীর আসল রূপটি চিনে নিতে পারবেন অনায়াসে। আবার ভৈরবীর সেই রূপটি একবার মনের মধ্যে গেঁথে গেলে, তখন হয়ত অন্য কোনো গান শুনতে শুনতে হঠাৎ ভৈরবীকে খুঁজে পেলেন আর তখন সে আরেক রকমের আনন্দ।

হ্যাঁ। এই আনন্দই আসল। চেনা সুর দিয়ে অচেনা সুরকে চেনা। এটা সব চাইতে সার্থক হয়ে উঠবে, যদি আপনি আপনি কোনো একটি ধ্রুবদ, সাদরা, ধামার কিংবা কোনো একটি ঠুংরি বা দাদরা গান শুনতে শুনতে, তার মধ্যে হঠাৎই খুঁজে পেলেন কোনো এক চেনা সুরকে, যাকে আপনি ভৈরবী বলে জেনে রেখেছেন। যেমন ধরুন একটু আগেই বলেছি, পারভিন সুলতানার গাওয়া ‘ভবানী দয়ানী মহাবাক্ বাণী’- গানটির কথা। গানটি শুনলেই আপনার নিশ্চয়ই মনে পড়বে অনেক শোনা সেই অতুল প্রসাদী গানটির কথা- ‘সে ডাকে আমারে/বিনা সে সখারে/রহিতে মন নারে’। দুটির সুর হুবহু এক, অতএব শাস্ত্রীয় গানটিও অবশ্যই ভৈরবী রাগেই, এটা বুঝতে আপনার কোনোই অসুবিধা হবে না। শুধু মনে রাখুন, ‘সে ডাকে আমারে’- গানটি ভৈরবী।

প্রথম দিকে একই রাগ, ভিন্ন তারে নিবদ্ধ হলে, আমাদের চিনতে হয়তো একটু অসুবিধা হতে পারে। যেমন ধরা যাক, ভৈরবী রাগাশ্রিত ‘বন্ধু রহো রহো সাথে’- রবীন্দ্রসঙ্গীতটির কথা। গানটি প্রায়শই তাল ছাড়াই গাওয়া হয়, কিছুটা নিধুবাবুর টপ্পার ঢঙে। সঙ্গে মীড় থাকে। আবার কেউ কেউ তালের ছকে তবলার সঙ্গেও গেয়ে থাকেন। কাহারবা কিংবা যৎ। কাহারবা ৮ মাত্রার তাল এবং আমাদের খুব চেনা। লঘু সঙ্গীতের অধিকাংশ গানই হয় ৬ মাত্রার দাদরা তালে, অথবা ৮ মাত্রার কাহারবা তালে বাঁধা হয়ে থাকে। যেমন, ‘তুমি মোর পাও নাই, পাও নাই পরিচয়’... এই রবীন্দ্রসঙ্গীতটিও ভৈরবী রাগাশ্রিত এবং কাহারবা তালে বাঁধা। কাহারবা তালটির দু’টি পর্ব ॥ ১ ২ ৩ ৪ ।  ৫ ৬ ৭ ৮ ॥ অর্থাৎ ৪ + ৪ তবলার বোল ॥ ধা গে না তি ।  না কে ধি না ॥ তবে তাল প্রসঙ্গে বলি, প্রথমেই ওসব বোল্ ...ইত্যাদি নিয়ে অত ভাবার কিছু নেই। না ভেবে বরং গানটি শুনুন এবং তার দোলাটা অনুভব করার চেষ্টা করুন। ক্রমশই দেখবেন আপনার শরীরও সেই তালের সঙ্গেই দুলতে শুরু করেছে। এটা হয়ে গেলে, দু’হাতে তালি দিয়ে তাল রাখবার চেষ্টা করুন। সেটাও রপ্ত হয়ে গেলে, দু’হাতে তবলার মতো করে টেবিলের ওপর বাজাতে চেষ্টা করুন। এই ভাবেই অনায়াসেই দাদরা, কাহারবার মতো দু’টি তাল অনুভব এবং অনুসরণ করা সম্ভব। কাহারবা অভ্যাস হয়ে গেলে ত্রিতালের ছন্দও বোঝাটা কঠিন হবে না। ত্রিতাল হলো শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সব চাইতে মৌলিক এবং জনপ্রিয় তালও বটে। অধিকাংশ ছোট খেয়াল বা দ্রুত খেয়াল এই তালেই গাওয়া হয়। ষোলো মাত্রার এই তালে চারটি পর্ব- ॥ ১ ২ ৩ ৪। ৫ ৬ ৭ ৮। ৯ ১০ ১১ ১২। ১৩ ১৪ ১৫ ১৬ ॥ এই প্রত্যেকটি সংখ্যা দিয়ে আমরা একেকটা আঘাত বা মাত্রাকে বোঝাতে চেয়েছি। এর মধ্যে প্রথম আঘাতটি অপেক্ষাকৃত জোরে এবং তাকে ‘সম্’বলা হয় এবং নবম আঘাতটি অপেক্ষাকৃত আস্তে এবং তাকে বলা হয় ‘ফাঁক্’। কিন্তু এসবও প্রথমেই না জানলেও চলবে। গান শুনতে শুনতে ক্রমশই এসবই অনুভবে আসবে এবং তখন জেনে নিলেই হবে। আসল কথা হলো, সবটা একসঙ্গে জানা যায় না আর গানের গায়ক হওয়া আর শ্রোতা হওয়ার শিক্ষা তো একরকম নয়ই। দু’টো প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা। গায়ক প্রতিটি পর্ব শিখবেন নিখুঁতভাবে বুঝে বুঝে, কিন্তু শ্রোতা একবারে সমস্তটা শুনে যে ছবিটা মনের মধ্যে গড়ে তুলবেন, সেটাই দিনে দিনে আরো নিখুঁত, সুস্পষ্ট হয়ে উঠবে। শ্রোতার কাছে গান শোনাই শেখার একমাত্র পথ। এ পথ যত সহজ ততই আনন্দের। এই যেমন কাহারবা তালটির কথাই ধরা যাক। যে রবীন্দ্রসঙ্গীতটির কথা বললাম, (তুমি মোর পাও নাই) সে গানটি বারবার শুনুন এবং ঠিক যেভাবে তার মধ্যে ভৈরবী রাগটিকে আবিষ্কার করেছেন, দেখবেন একসময় ঠিক সেই ভাবেই কাহারবা তালটিও অনায়াসেই রপ্ত হয়ে যাবে। দেখবেন, ভৈরবীর মতোই, এ তালও আপনার চেনা। ‘সব লোকে কয় লালন কি জাত’- গানটি তো আপনার চেনা। এর সুর হলো ভৈরবী- এ তো আগেই বলেছি। কিন্তু এটি দু’রকম তালে গাওয়া হয়ে থাকে। আরতি মুখোপাধ্যায়ের গাওয়া গানটি শুনেছি দ্রুতচালের কাহারবা তালে আর স্বপন বসু গেয়েছেন খেমটা তালে। খেমটা হলো ১২ মাত্রার তাল এবং তাতে চারটি সমান পর্ব যার প্রতিটিতে তিনটি করে মাত্রা। শুনলে মনে হতে পারে দ্রুত চালে দাদরা বাজছে। তবে, ভৈরবী রাগাশ্রিত বহু রবীন্দ্রসঙ্গীতই আছে, যা দাদরা তালে আধারিত। যেমন, আছো আকাশ পানে তুলে মাথা, আজ তোমারে দেখতে এলেম, আপনাকে এই জানা আমার ফুরাবে না, আমায় ক্ষমো হে ক্ষমো, আমার হৃদয় তোমার আপন হাতের দোলে, কেন যামিনী না যেতে জাগালে না... এমনি আরো অজস্র গান।

প্রসঙ্গত বলি, ভৈরবী রাগটির রস অতি গভীর, কিন্তু এই রাগে খেয়াল গান গাওয়া হয় না! কেউ কেউ বলেন এই রাগে খেয়াল হয় না। কেন হয় না- তার উত্তর জানি না। তবে প্রায় খেয়ালেরই মতো দ্রুত চালের এক ধরনের গান শোনা যায়, যা ত্রিতালে নিবদ্ধ এবং প্রায় খেয়ালেরই মতো, কিন্তু তাদের বলা হলো বন্দিনী ঠুংরি। এই রকম একটি বিখ্যাত ভৈরবী ঠুংরি, মনে পড়ছে, ‘বাট চলত নাহি চুনরী রঙ্গ ডানি’ বহু প্রাচীন ঠুংরি এবং এসব গান একসময় ভারতের লক্ষ্ণৌ অঞ্চলে খুবই গাওয়া হতো। এই গানটির সব চাইতে পুরোনো যে রেকর্ডটি আছে যেটি ১৯০৫ সালের। শিল্পী- মহম্মদ বাঁদী। রেকর্ডটি অতি দুর্লভ, কিন্তু তবু পরবর্তী কালেও কিছু শিল্পী রেকর্ড করেছেন। আমার প্রথমেই যে রেকর্ডটির কথা প্রথমেই মনে পড়ছে সেটিও বহু পুরোনো, ১৯৩০ সালের রেকর্ড এবং শিল্পী মালিকা পোখরাজ। অসামান্য গান। শুনুন। আরো দুটি পুরোনো রেকর্ডও খুব সুন্দর, মহম্মদ রফি ও লতা মঙ্গেশকরের। শুনলে ভৈরবীর সঙ্গে পরিচয় আরো নিবিড় হবে। এই গানটির সুরের নির্যাসটুকু নিতে হলে শুনুন, ড. এন. রাজসের বেহালায় ভৈরবী। রেকর্ডের ওপরের খাপে লেখা ‘Raga : Bhairavi Thumri in Teental. “Baat Chalat Mori Chumari Rang Dari.” এই বাজনাটি শুনলে মনে হবে যেন হুবহু ওই একই সুরের প্রতিধ্বনি শুনছেন, শুধু বাণীটিই নেই! তবে ভৈরবীর রূপ আরো বিস্তারিত ভাবে পাবেন।

কাহারবা তালে নিবদ্ধ ভৈরবী রাগাশ্রয়ী রবীন্দ্রসঙ্গীতের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম; বরং ভৈরবী রাগে দাদরা তালে নিবদ্ধ রবীন্দ্রসঙ্গীতের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু নজরুল গীতির মধ্যে কাহারবা তালে নিবদ্ধ ভৈরবী রাগাশ্রয়ী গানের সংখ্যা অনেক। তার মধ্যে কয়েকটি গানের কথা বলি- যেমন, আঁচলে হংস মিথুন আঁকা, কে ডাকিলে আমারে, কোন দূরে ওকে যায় চলে যায়, তোমার হাতের সোনার রাখী, নিশীথ হয়ে আসে ভোর, ফিরে ফিরে কেন তারই স্মৃতি, আল্লাহ আমার প্রভু আমার নাহি ভয়...। এমনি অনেক গানের কথাই মনে পড়ছে। খুব চেনা একটি গান, নিশ্চয়ই শুনেছেন, গানটি হলো, ‘বাগিচায় বুলবুলি তুই ফুল শাখাতে দিসনে আজি দোল’... ভৈরবী, মনে রাখুন। এবং এটিও কাহারবা তালে।

ত্রিতালে নিবদ্ধ ভৈরবী রাগাশ্রিত আরো দুটি নজরুলগীতির কথা বলি। প্রথমটি হলো, ‘স্বপনে এসেছিল মৃদু ভাষিণী’। গানটির শিল্পী জ্ঞানেন্দ্র প্রসাদ গোস্বামী। বাংলা গানের এই প্রবাদপ্রতিম শিল্পীর গাওয়া অনেকগুলি রেকর্ড আছে, যা বাংলা ভাষায় হলেও, প্রতিটি গানই আসলে খেয়ালের মতো অবিকৃত রাগরূপটি ফুটিয়ে তোলে। তাঁর রাগপ্রধান বাংলা গানের রেকর্ডগুলি অবশ্যই শুনবেন। রাগ পরিচয়ের এমন সহজ পথ আর নেই। প্রসঙ্গত, মন বলে তুমি আছ ভগবান- গানটিও তাঁরই গাওয়া, ভৈরবী রাগে এবং একতালে নিবদ্ধ। ...হ্যাঁ, ত্রিতালে নিবদ্ধ ভৈরবী রাগাশ্রিত আরেকটি নজরুলগীতির কথা বলা হয়নি। ...‘হে মাধব হে মাধব, হে মাধব’...এই গানটিও ভৈরবী রাগাশ্রিত ত্রিতালে নিবদ্ধ নজরুলগীতি। এ গানটির একটি বহু পুরোনো রেকর্ড আছে। শিল্পী সঙ্গীতাচার্য তারাপদ চক্রবর্তী।

আর এই সঙ্গে আরেকটি ভীষণ জনপ্রিয় গানের কথা বলতেই হয়। মান্নাদের গাওয়া সেই গানটি হলো একটি বিখ্যাত ভৈরবী ঠুংরি- ফুল গেন্দুয়া ন মাগে, লগত কলেজোয়ামে চোট’। মান্নাদে গানটি গেয়েছেন বেশ দ্রুত চালে এবং কাহারবা তালে। কাহারবা তালটা একটু চটুল প্রকৃতির। ঠুংরিটির যে শাস্ত্রীয় রূপ সেটা এত দ্রুত চালে নয়, অনেক মন্থরগতি এবং গানটি প্রায়শই যৎ তালেই গাওয়া হয়। গানটির প্রকৃত রূপ আস্বাদন করতে হলে, আমার যে গানটির কথা প্রথমেই মনে পড়ছে, সেটি রসুলন বাঈ-এর গাওয়া। অপূর্ব সেই গানটিও শুনুন। ওই একই গান আরো দুজন শিল্পী গেয়েছিলেন : একজন হলেন জড্ডন বাঈ এবং অন্যজন হলেন ইন্দুবালা। এসব রেকর্ড বহু পুরোনো।

তবে মান্নাদের আরেকটি গানের কথাও এই প্রসঙ্গে এসেই যায়। এটিও কাহারবা তালে। গানটি হলো ‘লাগা চুনরী মে দাগ’। এও ভৈরবী এবং এর শেষে গানটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি তারানা, যা আপাত শ্রবণে প্রায় অর্থহীন ধ্বনি বলেই মনে হয়, কিন্তু আসলে তা নয়। পণ্ডিতেরা বলেন, তারানার এসব বোল্-এর পেছনে আসলে গভীর আধ্যাত্মিক অর্থ লুকিয়ে আছে। আসলে তারানা গানের স্রষ্টা আমীর খুস্রৌ প্রায় সাত’শ বছর আগে, এই গান প্রথম রচনা করেন ফার্সি ভাষায় এবং এই ভাষায় তারানায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ধ্বনির অর্থ, যেমন, ‘দার্ তান্ আ’ অথবা ‘দারতানা’ অথবা ‘তানান্ দার আ’- মানে, ‘আমার দেহে প্রবেশ করো’, ‘ইয়া আল্লা’- দ্রুত উচ্চারণে হয়ে যায় ‘ইয়ালা’। ‘ইয়া আলি’থেকে ‘ইয়ালি। ‘ও দানি’- মানে ‘ও জানে’। ‘তু দানি’ মানে ‘তুমি জান’ । ‘না দির তানি’ মানে ‘তুমিই পূর্ণ জ্ঞানী’... ইত্যাদি। সুতরাং বাণীর অর্থ বিচার করলে, তারানা অত্যন্ত গভীর। তবে, অনেক সময় অতিদ্রুত উচ্চারণে একে চটুল মনে হয়, যদিও তা মনে করারও কোনো কারণ নেই। যা কিছু ক্ষিপ্র, চঞ্চল, তাই অগভীর হবে কেন? আমি অনুরোধ করব, মান্নাদের গাওয়া গানটি আপনারা মন দিয়ে শুনুন। এরপর ওস্তাদ নিসার হুসেন খাঁর গাওয়া বহু পুরোনো ভৈরবী তারানা সেই অবিস্মরণীয় রেকর্ডটি শুনুন, যার অনুসরণে মান্নাদের গানটি সৃষ্টি হয়েছিল।

দুটি তারানাই ত্রিতালে নিবদ্ধ আর এই অনুষঙ্গেই ত্রিতালে নিবদ্ধ দুএকটি গানের কথা বলব। প্রায় একই ধরনের ভৈরবীর রূপ। উজ্জ্বল আলোকিত একটি সকালের ছবি। গানগুলি প্রত্যেকটিই বিদ্যাদেবী সরস্বতীর বন্দনা। প্রথম গানটির শিল্পী লতা মঙ্গেশকর। গানটির বাণী হলো, ‘মাতা সরস্বতী সারদা’, দ্বিতীয় গানটির শিল্পী ওস্তাদ রশিদ খান, বাণী হলো, ‘জয় সারদা ভবানী’।

কিন্তু ভৈরবীর কথা সম্পূর্ণই হবে না, যদি না দুটি গানের কথা বলি। প্রথমে বলি, ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর গাওয়া সেই অনবদ্য দাদরা গানটির কথা, যার বাণী হলো, ‘বনায়ি বতিয়া চলো কাহে কো ঝুটি’। গানটি শুনতে শুনতে আপনি হয়তো মধ্যপ্রাচ্যের রৌদ্রকরোজ্জ্বল সকালে উটের পিঠে চড়ে মৃদু দুলুনির আনন্দ অনুভব করবেন। আর আরেকটি গান, হয়তো বা শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সমস্ত রেকর্ডের মধ্যে সবচাইতে বিখ্যাত। শিল্পী ওস্তাদ আবদুল করিম খাঁ। গান, সেই অবিস্মরণীয় ঠুংরি- যমুনাকে তীর। তাঁর বাঁশির মতো মধুর কণ্ঠে গানটি শুনুন। ...ভৈরবীর সঙ্গে আপনার পরিচয় তখনই সম্পূর্ণ হবে।(চলবে)

আগের পর্ব পড়ুন-

চেনা সুরের রাগ-রঙ : ভৈরবী ।। বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায়


 

প্রতি বুধবার এই ধারাবাহিকটি প্রকাশিত হবে।

প্রচ্ছদ : মহম্মদ জায়েদ 

//জেডএস//

x