চেনা সুরের রাগ-রঙ

বিশ্বদেব মুখোপাধ্যায় ১১:০৯ , জুলাই ১১ , ২০১৮

প্রসঙ্গ ভৈরবী ।। পর্ব-৩

এবার বলি, রাগের যে রূপ, তাকে শুধুমাত্র কথায় প্রকাশ করা যায় না। তবে কথায় সে রূপের আভাস অবশ্যই দেওয়া যায়। যে গীতিকবিতা অবলম্বন করে একটি গান, তা প্রায়শই ওই সুর বা রাগের ভাবের অনুসারী হয়। তবু একটা রাগের অন্তর্নিহিত ভাবটি ঠিক কেমন, সে বিষয়ে সবাই যে একমত হবেন এমনও কোনো কথা নেই। প্রসঙ্গত, ভৈরবী রাগটি যে সকালের ভাবের প্রকাশক, এ বিষয়ে প্রায় সবাই একমত হলেও, কেউ যদি হঠাৎ এর মধ্যে রাত্রির ভাবকেই দেখতে পান, সে দেখাটা যে ভুল, তা কেমন করে বলব?

রবীন্দ্রনাথের তিনটি গানের কথা বলি, যাতে সুর ভৈরবীর কিন্তু বাণীতে রাত্রির কথা। গানগুলি হলো, কাল রাতের বেলা গান এল মোর মনে, নিশীথে কী কয়ে গেল মনে কী জানি এবং নিশার স্বপন ছুটল রে। কিন্তু লক্ষ্য করুন, রাত্রি এখানে স্মৃতি মাত্র। গান যখন গাওয়া হচ্ছে, রাত্রি তখন অতীত, অতিবাহিত। ‘কাল রাতের বেলা গান এল’- এবং সে কথা মনে পড়ছে সকাল বেলায়। ‘নিশীথে কী কয়ে গেল মনে’- তা ঠিক মনে পড়ছে না, সকাল বেলায় শুধু সেটা স্মরণের প্রয়াস। আর তৃতীয় গানটিতে তো রাত্রির স্বপ্নভঙ্গের কথা স্পষ্টই উচ্চারিত। অতএব, গানের বাণী শুনে পথ হারানোর ভয় নেই। ভৈরবী এবং সকালেরই রাগ। সন্দেহ রইল না।

কাজী নজরুলের একটি গান যা আজো অবিস্মরণীয় হয়ে আছে বিষ্ণুপুর ঘরাণার প্রবাদপ্রতিম শিল্পী জ্ঞানেন্দ্র প্রসাদ গোস্বামীর কণ্ঠে। গানটি হলো, ‘স্বপনে এসেছিল মৃদুভাষিণী’...এবং ‘এসেছিল’ শব্দটিই বুঝিয়ে দেয় রাত্রি অতিক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ সময়টা ভৈরবীরই সময়। আবার নিশ্চিন্ত হওয়া গেল।

আসলে, কোনো সুর বা রাগ কার মনে কি ভাব সঞ্চার করবে, সে বিষয়ে তর্ক করা বৃথা। কিন্তু আমরা যারা গান শুনছি, তারা জীব বৈজ্ঞানিক অর্থে যেহেতু মানুষ, এবং শব্দ তাত্ত্বিক বিচারে যে কোনো রাগই যেহেতু কতকগুলি সুনির্দিষ্ট কল্পাঙ্কের কিছু শব্দের নিয়মবদ্ধ একটা সমন্বয় মাত্র, অতএব আমাদের মনের ওপর তাদের প্রতিক্রিয়াও প্রায় একই রকম হওয়াটাই সম্ভব। যেমন রসগোল্লা খেয়ে সবার যে অনুভব, আমরা বিশ্বাস করি, তার মধ্যে একটা সাধারণ কিছু আছে, যা প্রতিপ্রদ, যাকে আমরা বলি মিষ্টত্ব- অনেকটা সেই রকম। আর তা ছাড়া দীর্ঘকালের শ্রবণের অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে, বিভিন্ন রাগের সঙ্গে ভিন্ন ভিন্ন সময়, ভিন্ন ভিন্ন ঋতুও সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। নিশ্চয়ই ভালো লাগে বলেই এই রেওয়াজ এতকাল চলে এসেছে। তবু এই সহজ কথাটা অনেকেই এখন অস্বীকার করতে চেষ্টা করছেন। অনেকেই বলেন, কোনো রাগেরই কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। যে কোনো সময়ই গাওয়া যায়- বিশেষত ভৈরবী সম্পর্কেই কথাটা বলা হয় বেশি। তা অবশ্য গাওয়াই যায়। গাইলে আর ঠেকাচ্ছে কে? কিন্তু রাগ-রূপের সঙ্গে, আমাদের পরিবেশটা যদি মিলে যায়, তবে তার আস্বাদন যে আরো প্রগাঢ় হবে, তাতে সন্দেহ কি? ‘শেষের কবিতা’য় লাবণ্য আর অমিতর দেখা হয়েছিল শিলং পাহাড়ের সৌন্দর্যে। দেখাটা তো কলকাতার চৌরঙ্গী বা ঢাকার রমনা ময়দানেও হতে পারত। কিন্তু তাতে প্রেমের ভাবটা তেমন করে ফুটত কি? ওই ‘শেষের কবিতা’তেই রবীন্দ্রনাথের একটা কথা আছে, যার ভাবার্থ হলো, মনের মানুষটিকে মনের মতো জায়গায় না দেখলে অনেক সময় চেনা যায় না। রাগের ক্ষেত্রেও একই কথা; তবে একটু বদলে নিয়ে বলতে হবে- চেনা রাগটিকেও সঠিক সময়ে না শুনলে তাকে অনেক সমযই চেনা যায় না।

যাই হোক, রাগের সঙ্গে পরিচয় হলে, দেখবেন সে আপনার মনে তার নিজের সময় ঠিক করে নিয়েছে। কারণ, সময়টা তারই অস্তিত্বের, তার স্বরূপেরই অংশ; না হলে রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, অতুলপ্রসাদের মতো কবিরা ভৈরবীতে সকালেই কথা বসালেন কেন?...

এ বিষয়ে এত কথা কেন বলছি, সেটা বোঝা দরকার। শাস্ত্রীয় সঙ্গীত যতই শুনবেন, ততই আরো অনুভব করবেন, প্রতি রাগের সঙ্গে একটা রূপ, একটা রঙ জড়িয়ে আছে। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের প্রাচীন প্রাজ্ঞেরা রাগের সংজ্ঞা দিয়েছেন- ‘রঞ্জয়তে ইতি রাগ’ অর্থাৎ যা রঞ্জিত করে তাই রাগ। মনে হতে পারে, কথাটা শুধুমাত্র মনোরঞ্জন অর্থেই বলা হয়েছে, কিন্তু ঠিক তা নয়। রাগ মনকে রঞ্জিত করে, কিন্তু সে রঙ শ্রোতা সত্যিই দর্শন করতে পারেন। সত্যিই, প্রতিটি রাগই শ্রোতার মনে একটি বিশেষ রঙকে প্রকাশ করে এবং তা দেখেই শ্রোতা রাগটি চিনে নিতে পারেন নির্ভুলভাবে। অভ্যাস করলে আপনিও পারবেন। ভৈরবী শুনতে শুনতে মনের মধ্যে ফুটে ওঠা ভাবটিকে, সেই রূপকে প্রকাশ করছে যে রঙ, তাকে দেখুন! যখন ‘ভবানী ছয়ানী মহাবাকবানী’ , কিংবা অতুল প্রসাদের, ‘সে ডাকে আমারে’ কিংবা ‘কে রয় ভুলে মোহন রূপে’- রবীন্দ্রসঙ্গীতটি শুনছেন তখন কি সকালের সূর্যের মতো উজ্জ্বল সাদা রঙটি দেখতে পাচ্ছেন? এটাই ভৈরবীর রঙ! যে সুর কানে শুনলে মনে এই রঙ ফুটে উঠবে, নিশ্চিত জানবেন সে স্বর ভৈরবী। কিন্তু এ তার উজ্জ্বল আনন্দময় রূপ। অন্য বিষাদ মাখা যে অন্য রূপটির কথা বলেছি, তার প্রকাশ ঘটেছে, ‘মোর না মিটিতে আশা ভাঙ্গিল খেলা’- এই নজরুল গীতিটিতে। এ রঙও সকালের, কিন্তু আকাশ মেঘমলিন, প্রকৃতি যেন মৃদু বিষণ্নতায় আবৃত।...

এই দুটি রঙই ভৈরবীর প্রকাশক; কিন্তু তাতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। প্রতিটি শিল্পই আসলে চিন্ময়, জীবন্ত। সুরও তাই, রাগও তাই। একই মানুষ তারও কি একটাই রূপ? একই মুখে কত না ভাব! সেও কি কখনো আনন্দোজ্জ্বল আবার কখনো বিষণ্নতার আবরণে ঢাকা পড়ে না? তুব তো তারই মধ্যে দিয়েই মানুষটাকে চিনতে পারি না। সেই রকমই, প্রসন্নতা, বিষণ্নতার মধ্যে দিয়ে শুধুমাত্র ভৈরবীকেই দেখুন। এটা কিন্তু মোটেই কঠিন কিছু নয়, বরং খুবই সহজ! কারণ, ঠিক এইভাবেই আমরা সবকিছুকেই চিনি। দুটো গোলাপ ফুল তো হুবহু একই রকম হয় না। তবু তাদের কি আমরা গোলাপ বলে চিনতে পারি না? কিংবা দুটো বটগাছ? তারাও কি একই রকম হতে পারে? হয় না। তবু আমরা তো তাদেরও বটগাছ বলে চিনতে পারি। নানা রূপের মধ্যে দিয়ে, নানা রঙেও সেই ভাবেই ভৈরবীকেও চিনে নেওয়া কঠিন হবে না। হয়তো অন্য রাগেও এমনটাই ঘটবে; কিন্তু তবু নানা প্রকাশের মধ্যে দিয়েও রাগটিকে ঠিকই চেনা। তার জন্য চাই বহু গান শোনার অভিজ্ঞতা। শোনার মধ্যে দিয়েই চেনা শোনা হয়ে যাবে।

ভৈরবীর আলোচনা শেষ করার আগে বলি, কিছু যন্ত্র সঙ্গীতের কথা। অর্থাৎ বাণী ছাড়া ভৈরবী। আমি প্রথমেই বলব, এনায়েৎ খাঁর সেতারে ভৈরবীর দ্রুত ত্রিতালে নিবদ্ধ গৎটির কথা। ওস্তাদ বিসমিল্লা খাঁর সানাইয়ে ভৈরবীও শুনুন আরেকটু বিস্তারিত রূপে। ওস্তাদ আলি আকবর খাঁ সরোদে ভৈরবীকে চিনুন। শুনুন ওস্তাদ বিলায়েৎ খাঁর সেতারে। সঙ্গে তবলায় ছিলেন পণ্ডিত কিষেণ মহারাজ। প্রথমে আলাপ অংশ, অর্থাৎ তালহীন অংশ এবং তারপর দ্রুত ত্রিতালে নিবদ্ধ গৎ অংশে খুঁজে পাবেন আপনার চেনা সেই গানটিকে, যার বাণী-  ‘বাট চলত মোরি চুনরী রঙ্গ ডারি’- মনে পড়ছে? সেই যে গানটি, মালিকা পোখরাজের কণ্ঠে, মহম্মদ রফীর কণ্ঠে...? ওস্তাদ বিলায়েৎ খাঁর ভৈরবী গৎটির সঙ্গে সেই গানকে মিলিয়ে নিন। এটি রেকর্ড হয়েছিল ২০০২ সালে। এটি শুনুন। কিন্তু তার আগে একটা কথা জানিয়ে রাখি, তা হলো, ধ্রুপদ ছাড়া অন্য কোনো আঙ্গিকের গানে কিংবা যন্ত্র সঙ্গীতেও, ভৈরবী রাগটিতে অন্য অনেক রাগের মিশ্রণ ঘটানো হয়। খাঁ সাহেবের বাজনায় ভৈরবীর রঙ ছাড়াও অনেক রঙ পাবেন। ঠুংরি গানেও এটা চলে। কিন্তু ওস্তাদ এনায়েৎ খাঁর (ওস্তাদ বিলায়েৎ খাঁর বাবা) সেতারে যে ভৈরবী গৎটির কথা বলেছি, তা বিশুদ্ধ ভৈরবী। সেটিও শুনুন পাশাপাশি।

আলোচনা যতই এগুচ্ছে, ততই রবীন্দ্রনাথের ‘চাঁদের হাঁসির বাধ ভেঙেছে’- গানটির একটি পঙক্তির কথা মনে পড়ছে- ‘ফুলের বনে যার পাশে যাই তারেই লাগে ভালো’। না, এই গানটি ভৈরবী নয়, সাহানা রাগাশ্রিত এবং সে কথা যথা সময়ে বলব। আপাতত ভৈরবীতে অজস্র অসামান্য সব গানের ভিড়ে ওই পঙক্তিটি এবং সেই সঙ্গে আরো অসামান্য সব রেকর্ডের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেই বিখ্যাত গানটি- বাজু বন্দ খুলু খুলু যায়- ওস্তাদ বড়ে গোলাম আলি খাঁ, ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর গলায় শুনেছি। সেই একই গান গেয়েছিলেন আজ থেকে একশ বছরেরও কিছু আগে, ১৯০৫ সালে, প্রবাদপ্রতিম শিল্পী ওস্তাদ মৌজুদ্দীন খাঁ, যাঁকে ‘স্মৃতির অতলে’ গ্রন্থে অমিয়নাথ সান্যাল একজন যুগন্ধর শিল্পীরূপে চিহ্নিত করেছেন। সবশেষে বলি, ভৈরবী রাগের সবচাইতে জনপ্রিয় এই গানটির বাংলা প্রতিরূপও আছে। বিশেষভাবে মনে পড়ছে সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়, শেফালি ঘোষ ও সাম্প্রতিক কালে পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীর কথা।

ভৈরবীর সঙ্গে পরিচয় হলো। যত শুনবেন পরিচয় আরো নিবিড় আর আনন্দময় হবে- এ নিশ্চিত; কিন্তু তবু একটু আনুষ্ঠানিকতা বাকি থেকে গেল। এবার সে বিষয়ে আসি।

স্বর সপ্তকে সাতটি সুর, আমরা সবাই জানি- সা রে গা মা পা ধা নি। সা থেকে যতই নি-র দিকে এগোচ্ছে, সুর ততই চড়ছে অর্থাৎ সরু হচ্ছে। বিজ্ঞানের ভাষায় শব্দের কল্পাঙ্ক (Frequency)  ততই বাড়ছে। এইভাবে সা থেকে আমরা চড়ার সা (যাকে চিহ্নিত করা হয় র্সা দিয়ে)তে পৌঁছে গেলে কম্পাঙ্ক দ্বিগুণ হয়ে যায়।

যাই হোক, সাতটি স্বর নিয়ে স্বর-সপ্তক হলেও, এর মধ্যে আবার রে, গা, ধা, নি এবং মা- এই পাঁচটি স্বরের দু’রকম প্রকার ভেদ আছে। আমরা সাধারণত যে সা রে গা মা-র সঙ্গে পরিচিত তার সব স্বরই শুদ্ধ এবং তাকে আমরা বলি শুদ্ধ সপ্তক। এই সপ্তককে বোঝাতে আমরা লিখব, সা রে গা মা পা ধা নি। কিন্তু এই সপ্তকের রে গা ধা এবং নি ছাড়াও একটু কম চড়া চারটি স্বরও আছে, যাদের বলা হয় কোমল স্বর এবং তাদের লেখা হয়, ঋ, জ্ঞা, দা, নি- এই ভাবে। এছাড়াও মা-স্বরটির আরেকটি প্রকার ভেদ আছে। সেটি মা-স্বরটির চেয়ে একটু চড়া, তার নাম তীব্র মধ্যম বা কড়ি মধ্যম। কড়ি শব্দটি সম্ভবত হিন্দি শব্দ ‘চড়ি’র বাংলা অপভ্রংশ। হিন্দিতে ‘চড়ি মা’। লেখা হয়, ‘হ্ম’ অক্ষরটি দিয়ে।

তাহলে সা থেকে সা-র মধ্যে আসলে বারোটি স্বর আছে এবং সেগুলি পর পর সাজিয়ে লিখলে হবে-

সা ঋ রে জ্ঞা গা মা হ্ম পা দা ধা নি নি র্সা

শুদ্ধ স্বরগুলির (রে গা মা ধা নি) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্য যে স্বরগুলি (ঋ জ্ঞা হ্ম দা নি) তাদের বলা হয় ‘বিকৃত স্বর’। ...এবং সমস্ত রাগই এই বারোটি স্বরের মধ্যে থেকেই কয়েকটি বেছে নিয়ে নকশা রচনা ছাড়া আর কিছুই নয়। রাগ মানে স্বরের আলপনা। এই যেমন, ভৈরবী রাগটি হলো সব কটি কোমল স্বরের আলপনা। অর্থাৎ, সা ঋ জ্ঞা মা দা নি র্সা- এই হলো ভৈরবীর আরোহণ, অর্থাৎ ক্রমান্বয়ে সা থেকে র্সা-তে চড়ার বৃত্তান্ত। আবার, অবরোহণ, অর্থাৎ র্সা থেকে সা-তে নেমে আসার বৃত্তান্ত হলো- র্সা নি দা পা মা জ্ঞা ঋ সা।

ভৈরবীতে সব স্বরগুলিই ব্যবহৃত হয়, অর্থাৎ সাতটি স্বরই।

এখন ধরুন, যদি ভৈরবীর কোনো কোনো স্বর বাদ দেওয়া হয়? তাহলে কি রাগটা আর ভৈরবী থাকবে? না, তা থাকবে না। ভৈরবীর আরোহণে আর অবরোহণে যদি ঋ আর পা বর্জিত হয়, তবে সেটা হবে অন্য একটি রাগ, যার নাম মালকোশ। গভীর রাত্রির রাগ। হারমোনিয়ামে ওই স্বরগুলির ওপর ওঠানামা করতে থাকলে ক্রমশই অনুভব করবেন, একটি চেনা গানের আদল ধীরে ধীরে রূপ নিচ্ছে ...আনন্দ ধারা বহিছে ভুবনে... শিল্পী কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। (চলবে)

আগের পর্ব পড়তে ক্লিক করুন-

চেনা সুরের রাগ-রঙ


প্রতি বুধবার এই ধারাবাহিকটি প্রকাশিত হবে।

অলঙ্করণ : আল নোমান

 

 

//জেডেএস//

x