তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ৮ মামলা চলমান: আইনমন্ত্রী

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ১৭:৫৪ , ফেব্রুয়ারি ১৪ , ২০১৮

 

তারেক রহমানবিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাসহ ৮টি মামলা চলমান রয়েছে। এছাড়া তারেক রহমান দুটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফজিলাতুন নেসা বাপ্পীর প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এ তথ্য জানান।

আইনমন্ত্রীর তথ্য অনুযায়ী, অবৈধ সম্পদ অর্জনের দায়ে কাফরুল থানায় ২০০৭ সালে দায়ের হওয়া (মামলা নং ১৭/২০০৭) মামলা তারেক রহমানের বিরুদ্ধে চলমান রয়েছে। এ মামলায় তারেক রহমান ছাড়াও তার স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমান ও শাশুড়ি সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানু আসামি হিসেবে অভিযুক্ত হয়েছেন। দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যালে তার বিরুদ্ধে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা (মামলা নং ২৯/১১ ও ৩০/১১) ও ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে দায়ের করা (১৫৫৮২/১৭) রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা চলমান রয়েছে। এছাড়া ঢাকার সিএমএম কোর্টে ৪টি মানহানি মামলা (৪৯৯/৫০০ ধারায়) চলমান রয়েছে। এই মামলাগুলোর মধ্যে একটিতে গ্রেফতারি পরোয়ানা ইস্যু করা হয়েছে।

একটি মামলায় নিম্ন আদালতে খালাস পেলেও ওই মামলায় হাইকোর্টে তার ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ কোটি টাকা জরিমানা হয়েছে। এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় তারেক রহমানের ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।  

সরকারি দলের গোলাম মোস্তফা বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, সারা দেশের ৫০০ স্থানে সিরিজ বোমা হামলার ঘটনায় বিচারাধীন মামলার সংখ্যা ৩০টি। এর মধ্যে ২৯টি মামলা সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে। বাকি একটি মামলা উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত আছে।

আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য এম এ মালেকের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, দ্রুত বিচার আইনের অধীনে এই অর্থবছরে ৭২০টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। এসব মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ১৮২। এ সময় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হওয়া মামলার সংখ্যা ১৮টি। এসব মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ৩৭ জন।

চট্টগ্রাম-৪ আসনের দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী জানান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা এক লাখ ৬৫ হাজার ৫৫০টি। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৪ হাজার ৫৪৬টি, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪৩ হাজার ৩০টি, রাজশাহীতে ১৬ হাজার ১২৮টি, খুলনা বিভাগে ১৯ হাজার ১৩৮টি, বরিশাল বিভাগে ১০ হাজার ১৬৩টি, সিলেট বিভাগে ১১ হাজার ৮০৭টি ও রংপুর বিভাগে ২০ হাজার ৭৩৮টি।

মো. ইসরাফিল আলমের প্রশ্নের জবাবে জনপ্রশাসনমন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদে বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে কর্ম কমিশন থেকে প্রথম শ্রেণির ক্যাডার পদে ২৫ হাজার ২৭৮ জন, প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে দুই হাজার ৫০৮ জন, দ্বিতীয় শ্রেণির পদে তিন হাজার ৬৭৬ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে। এছাড়া সরাসরি প্রিলিমিনারি, লিখিত ও মৌলিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রথম শ্রেণির নন-ক্যাডার পদে দুই হাজার ৭২১ জন ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ১৬ হাজার ৯৩০ জন জনবল নিয়োগের সুপারিশ করা হয়েছে।

৩৭তম বিসিএস-এর মৌখিক পরীক্ষা গত ২ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে বলেও জনপ্রশাসনমন্ত্রী জানান।

স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়।

 

/ইএইচএস/এমএনএইচ/এমওএফ/

x