২১ আগস্টের ঘটনায় সংসদে একতরফা আলোচনা করেছিল বিএনপি

এমরান হোসাইন শেখ ০৭:৫৯ , আগস্ট ২১ , ২০১৯





২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ২৩ দিনের মাথায় সংসদ অধিবেশন বসেছিল। সেটি ছিল অষ্টম জাতীয় সংসদের ১৩তম অধিবেশন। ওই অধিবেশনে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে আলোচনার জন্য ৬২ বিধিতে দুই ডজনের বেশি মুলতবি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল সেই সময়কার বিরোধী দল আওয়ামী লীগ থেকে। কিন্তু তৎকালীন স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার মুলতবি প্রস্তাব গ্রহণ না করে ২১ আগস্ট ও সে বছরের বন্যার ঘটনা নিয়ে ৬৮ বিধিতে সাধারণ আলোচনার সুযোগ দেন। মুলতবি প্রস্তাব গৃহীত না হওয়ায় আওয়ামী লীগ সংসদ থেকে ওয়াক আউট করে। ফলে বিএনপি ও তার মিত্ররা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে। ওই আলোচনাটা ছিল মূলত একতরফা। এ সময় ২১ আগস্টের ঘটনায় আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত কাজে সহযোগিতা না করার অভিযোগ করা হয়েছিল। ভিকটিম এ দলটির ওপর ঘটনার দায়  চাপানোরও চেষ্টা হয়েছিল। বলা হয়েছিল ক্ষমতায় আসতে তারা এ হত্যার ঘটনা ঘটিয়ে ষড়যন্ত্র করছে।

ওই সময়কার সংসদ অধিবেশনের কার্যবিবরণী থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। অষ্টম সংসদের ১৩তম ওই অধিবেশন ২০০৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর শুরু করে ১৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলেছিল। এর কার্যদিবস ছিল চারটি। কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অধিবেশনের তৃতীয় কার্যদিবসে ১৫ সেপ্টেম্বর গ্রেনেড হামলা নিয়ে সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমানে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরসহ বিএনপির ১৩ জন, জামায়াতের একজন এবং জাতীয় পার্টির গোলাম হাবিব (দুলাল), বিকল্পধারা বাংলাদেশের মাহী বি চৌধুরী ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী অংশ নেন। প্রায় পৌনে ৪ ঘণ্টা এটি নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়।
এর আগে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগের জনসভায় গ্রেনেড হামলা বিষয়ে উল্লেখ করে সংসদে নোটিশ দেন আওয়ামী লীগের ১৮ জন ও জাতীয় পার্টির দুই জন সংসদ সদস্য। তবে সব নোটিশ নাকচ করেন স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার। নাকচকালে স্পিকার বলেন, ‘নোটিশগুলো পরীক্ষান্তে দেখা যায়, গ্রেনেড হামলার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারপতিকে নিয়ে গঠিত এক সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিশনের বিবেচনাধীন আছে। তাছাড়া এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং ইন্টারপোলসহ দেশি ও বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর তদন্তাধীনে আছে। এ সম্বন্ধে মাননীয় সদস্যদের নোটিশগুলো মুলতবি প্রস্তাব আকারে গৃহীত হলে উল্লিখিত কমিশন ও গোয়েন্দা সংস্থাসমূহের তদন্ত/বিবেচনার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে পারে এবং ইহা এতদ্সংক্রান্ত কার্যপ্রণালী বিধি পরিপন্থী। তাই কার্যপ্রণালী বিধির ৬৩ (ঐ) ও (ও) বিধি মতে নোটিশগুলো মুলতবি প্রস্তাব আকারে গ্রহণ করা গেলো না বলে দুঃখিত। তবে এ বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে সাধারণ আলোচনার জন্য আজকের কার্যসূচিতে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
আলোচনায় অংশ নিয়ে রাজবাড়ী-১ আসনের বিএনপির এমপি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে বলেছিলেন, ‘দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা স্টেজ থেকে নেমে গেলেই বোমাবাজি হচ্ছে। তারা হত্যাকাণ্ডের প্রতিটি রহস্য উদ্ঘাটনে বাধা দিচ্ছে। আজকে এখন প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কি তারাই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে?’

ঝিনাইদহ-৩ আসনের মো. সহিদুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘তারা নাটক সৃষ্টি করে লাশের ওপরে দাঁড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। ২২টি লাশের বিনিময়ে তিনি (শেখ হাসিনা) ক্ষমতা নিতে চান। এটা সারা দেশের মানুষ আজকে বুঝতে পেরেছে।’

বরিশাল-২ আসনের সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল ২১ আগস্টের ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেছিলেন, ‘ট্রাকের ওপরের কোনও নেতা কিন্তু আহত বা নিহত হননি। নিচে সমস্ত দ্বিতীয় ও তৃতীয় সারির নেতা এবং কর্মীরা সেখানে মৃত্যুবরণ করেছে এবং সে প্রশ্নগুলোর মধ্য থেকে আজকে অনেক প্রশ্ন বের হয়ে এসেছে।’
নওগাঁ-৪ আসনের সামসুল আলম প্রামাণিক বলেছিলেন, ‘৮/৯টি বোমা ছুড়েছে কিন্তু বিশাল ট্রাকের ভেতরে একটিও পড়ছে না। ট্রাকের বাইরে পড়ছে, ট্রাকের চাকার নিচে পড়ছে। এই রহস্যটাও কিন্তু আজকে জাতিকে বুঝতে হবে এবং চিন্তা করে দেখতে হবে। ২১ আগস্ট আব্দুল জলিলের সেই ট্রামকার্ড কিনা, সেটা জাতিকে ভেবে দেখতে হবে?’
কুষ্টিয়া-২ আসনের অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘২১ আগস্টের ঘটনার পর বিরোধী দলের নেত্রী (শেখ হাসিনা) তদন্ত দাবি না করে সরকারের পতনের দাবি করছেন। জলিল সাহেবের সেই ট্রামকার্ড আর ১৫ আগস্টের সহানুভূতিকে কাজে লাগিয়ে ২১ আগস্টের ঘটনাটি কেউ ঘটিয়েছে কিনা, এই বিষয়টি তদন্ত করার দায়িত্ব সরকারের। স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো, উপযুক্ত তদন্তের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আমলের ওই সমস্ত গডফাদার যারা সন্ত্রাস সৃষ্টি করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছিলেন, তাদের তদন্তের আওতায় আনুন।’
চট্টগ্রাম-১১ আসনের গাজী মো. শাহাজাহান বলেছিলেন, ‘বোমা বিস্ফোরণের পর জাতির মধ্যে প্রকৃত সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে যে কারা এই বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত এবং কোন কারণে কোন উদ্দেশ্যে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে।’
ঝিনাইদহ-২ আসনের মো. মসিউর রহমান বলেছিলেন, ‘গ্রেনেড হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বর্তমান সরকার আর সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগ। সাবের হোসেন চৌধুরী ২৪ ঘণ্টাই শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকেন। কিন্তু সেদিন তিনি ট্রাকের ওপর না থেকে কেন জিরো পয়েন্টে ছিলেন? আর ঘটনা ঘটার পর পরই তার নেতৃত্বে এত বড় লাঠিয়াল বাহিনী কোথা থেকে এলো? সঙ্গত কারণেই মানুষ সন্দেহ করছে, জনাব তোফায়েল মরলো না, জনাব রাজ্জাক সাহেব মরলো না, জলিল সাহেবের কিছু হলো না, সামাদ আজাদের কিছু হলো না, সাবের হোসেন চৌধুরীর কিছু হলো না, মুকুল বোসের কিছু হলো না, নাসিমেরও কিছু হলো না। নাসিমকে নিয়ে সন্দেহ আছে। অনেকেই বলেন, মূল্যায়ন করেন নাই বলে নাসিম ষড়যন্ত্র করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই ঘটনা আওয়ামী লীগ নিজেরা করেছে, এতে কারোর মধ্যে ন্যূনতম কোনও সন্দেহের অবকাশ নাই।’
জামায়াতের (পাবনা-৫) আব্দুস সুবহান বলেছিলেন, ‘সত্যিকারের যদি তদন্ত হতো, তাহলে অবশ্যই যারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, তাদের থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতো বলেই তারা সঠিক তদন্ত চায় না।’
ফরিদপুর-২ আসনের কেএম ওবায়দুর রহমান বলেছিলেন, ‘কয়েকটি দল বা গোষ্ঠী নিয়ে আওয়ামী লীগ একটা ঐক্য গড়েছে। বলছে যে, সরকার হটানোর আন্দোলন করতে হবে। তারা এই বোমা হামলার বিচার চায় না। চায় সরকারের পতন এবং সরকারের পতন ঘটানোর জন্য কয়েকজন লোক কয়েকটি দলকে একত্রিত করেছে। যাদের সঙ্গে আওয়ামী লীগ জোট করেছে, তারা কিনা সবাই মিলে পার্লামেন্টের একটি সিটও জোগাড় করতে পারে না।’
তদানীন্তন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. ফজলুর রহমান (পটল) বলেছিলেন, ‘শেখ হাসিনা আইভি রহমানের মতো আরও অনেকগুলো লাশের ফটো বাঁধিয়ে লাশের মিছিল করে ব্যবসা করতে চেয়েছিলেন।’
সেসময়ের পানিসম্পদমন্ত্রী হাফিজ উদ্দিন আহম্মদ বীরবিক্রম বলেছিলেন, ‘বোমা নিয়ে তাদেরই কারবার। তারা বোমাবাজিতে এক্সপার্ট। তারা কেন বিএনপির প্রতি অঙ্গুলি নির্দেশ করেন। একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করার জন্য তারা দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তারা যে ট্রামকার্ডটি ছাড়ার চেষ্টা করেছিলেন ৩০ এপ্রিলে, জনগণের সহায়তার কারণে, জনগণের সমর্থনের অভাবে সেটা তারা চালু করতে পারে নাই। এই দলটি যে ষড়যন্ত্র করে তার সর্বশেষ প্রমাণ এই ৩০ এপ্রিলের ট্রামকার্ড।’
তবে ভিন্ন বক্তব্য ছিল কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের এমপি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী ও বিকল্পধারার এমপি (মুন্সীগঞ্জ-১) মাহী বি চৌধুরীর।

মাহী বি চৌধুরী বলেন, ‘বিরোধী দলের নেতা বা নেত্রী থাকলে, তার ওপর আক্রমণ হলে, সেটাকে হেলাফেলা করে পাশ কাটিয়ে যাওয়া হলে, আমরা নিরাপদ বোধ করবো না।’
এরপর কাদের সিদ্দিকী  বলেন, ‘আমি জানি না আজকে ৬২ বিধিতে আলোচনা করতে দিলে কী হতো! ৬৮ বিধিতে আপনি সাধারণ আলোচনা করতে দিয়েছেন। এতে অংশগ্রহণ করলে প্রধান বিরোধী দলের কী হতো, আমি জানি না। আমি প্রস্তাব করবো যে একটি সংসদীয় কমিটির মাধ্যমে এটা তদন্ত করা দরকার। মুক্তাঙ্গন থেকে কেন বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে গেল, এটাও বিচার করা যেমন দরকার, ঠিক তেমনি প্রধান বিরোধী দলের নেত্রীকে সরকার থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে, সেদিন তার নিরাপত্তা রক্ষীরা কোথায় ছিলেন, সেদিন ওখানে যাদের ডিউটি দেওয়া হয়েছিল, তারা কোথায় ছিলেন, কী ডিউটি করেছেন? আজকে প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ঘিরে রাখা হয়, তার জীবনের নিশ্চয়তা থাকবে, তার জন্য ডিউটি করা হয়। উনি যেদিন আবার বিরোধী দলের নেত্রী হবেন, সেদিন তার কোনও নিরাপত্তা থাকবে না। এটা তো হতে পারে না।’
বিকল্পধারার এমপি (মুন্সীগঞ্জ-১) মাহী বি চৌধুরী বলেছিলেন, ‘২১ আগস্টের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ভয়াবহতম, একটি জংলি আক্রমণ। এটি শুধু একটি দলের ওপর নয়, একজন ব্যক্তির ওপর নয়, প্রতিটি রাজনীতিবিদের ওপর, দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিকের ওপর, বাংলাদেশের ওপর একটি আক্রমণ। এই ঘটনায় কেউ বলছে সরকার দায়ী। আবার কেউ বলে বিরোধী দল দায়ী। জনগণের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব যদি সরকারের হয়, তাহলে সরকার অবশ্যই দায়ী।’

ওই আলোচনায় অংশ নিয়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর জাতীয় সংসদে বলেছিলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে, আলামত নষ্ট করে ফেলার, এটা ঠিক নয়। বরং বিরোধীদলীয় নেতার বুলেট প্রুফ পুরো গাড়িটি তো দূরের কথা একটি কাচের জানালাও আলামত হিসেবে জব্দ করতে দেওয়া হয়নি। আমরা সেটি একাধিকবার চেয়েও ব্যর্থ হয়েছি।’
আওয়ামী লীগের নির্ধারিত সমাবেশটি মুক্তাঙ্গনে করার অনুমতি নেওয়া হলেও তা শেষ পর্যায়ে আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় অফিসের সামনে স্থানান্তর করা হয়েছিল উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, ‘এই ঘটনার তদন্তে সরকারের সদিচ্ছা এবং আন্তরিকতার ব্যাপারে আজ আর কারও প্রশ্ন থাকার কোনও কারণ নেই। ২১ আগস্টে হামলাকারীরা দেশ, জনগণ ও গণতন্ত্রের শত্রু। দেশে বিশৃঙ্খলা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার পাঁয়তারা। আমি মনে করি, এটা একটি বিরাট ষড়যন্ত্র।’
এদিকে ওই অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে (১৬ সেপ্টেম্বর) বিএনপির তৎকালীন মহাসচিব ও এলজিআরডি মন্ত্রী মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভুইয়া ২১ আগস্ট প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘ওই ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রী তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। দেশি-বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে তিনি তদন্ত করার জন্য অনুমতি দিয়েছেন। কিন্তু বিরোধী দলের নেত্রী এর একটিও গ্রহণ করেন নাই। এ থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, তারা আসলে বোমা হামলার তদন্ত চান না। এই বোমা হামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিল করার জন্য তারা ব্যবহার করতে চান। সেই কারণে তারা বোমা হামলার বিচার না চেয়ে সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তারা তদন্ত কার্যে সহযোগিতা করছেন না। মাননীয় স্পিকার, তারা তদন্ত কার্যে সহযোগিতা করুক আর না করুক, আমরা সঠিক তদন্ত করবো এবং প্রকৃত দোষী যারা তাদের বিচারের ব্যবস্থা অবশ্যই করবো।’

/টিএন/এমএমজে/

x