মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট সংযোগের উদ্যোগ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ০১:৩৩ , সেপ্টেম্বর ২৩ , ২০১৯

মাউশিদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের (স্কুল ও কলেজ) সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। পর্যায়ক্রমে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও এ সেবা পৌঁছে দেওয়া হবে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদফতরের ‘এস্টাবলিশিং ডিজিটাল কানেকটিভিটি’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই কার্যক্রম হাতে নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিজস্ব উদ্যোগে ইন্টারনেট ব্যবহার হয়ে থাকে। তবে প্রান্তিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখনও ইন্টারনেট সংযোগ নেই। ফলে তথ্য প্রযুক্তির ক্লাস করানোও সম্ভব হয় না ওইসব প্রতিষ্ঠানে। যেসব স্কুল ও কলেজে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়ে থাকে সেখানে ব্রডব্যান্ড সংযোগ নেই। এ কারণে ওইসব প্রতিষ্ঠানে সীমিত আকারে ইন্টারনেট ব্যবহার করা হয়।

এই পরিস্থিতি পাল্টাতেই প্রকল্পের আওতায় দেশের স্কুল ও কলেজগুলোতে স্থায়ীভাবে ইন্টারনেট সংযোগ সুবিধা দেওয়ার ব্যবস্থা নেবে তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।

প্রকল্প সম্পর্কে জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক ড. আবদুল মান্নান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রকল্পের আওতায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সার্ভিস ব্যবহার করার নির্দেশনা দেওয়া হবে। দেশের কোন কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করছে এবং কারা করছে না তা জানাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, প্রান্তিক এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে যাক। সরকার সে ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট সংযোগের প্রকৃত চিত্র কী তা জানার জন্য গত ১৮ সেপ্টেম্বর আদেশ জারি করা হয়েছে। এতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে জানাতে বলা হয়েছে, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে কিনা, ব্রডব্যান্ড ব্যবহার করার প্রয়োজন আছে কিনা? আর ব্যবহার করা হয়ে থাকলে এবং যারা করছেন না তারা ব্যবহার করলে কত খরচ হতে পারে তা জানতে চাওয়া হয়েছে । আদেশে পরবর্তী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানদের জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

/এসএমএ/এমএএ/

x