শোভনের গাড়িতে বসা নিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতার মারামারি

ঢাবি প্রতিনিধি ০২:০০ , সেপ্টেম্বর ১১ , ২০১৯





মারামারিতে আহত ছাত্রলীগের এক নেতাছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের ব্যক্তিগত গাড়িতে বসা নিয়ে তার অনুসারী দুই নেতার মধ্যে তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ওই দুই নেতা হলেন—ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির এবং সহ-সভাপতি শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ। এদের মধ্যে বিদ্যুৎকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যাল সেন্টারে নেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন দুপুর ১টার দিকে মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে তার গাড়িতে উঠেন। একইসঙ্গে গাড়ির পেছনের সিটে উঠে বসেন তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির, সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়সহ আরও কয়েকজন। এসময় সহ-সভাপতি শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ গাড়ির দরজার সামনে দাঁড়িয়ে থাকেন। জায়গা না থাকায় তিনি গাড়িতে উঠতে পারেননি। এ নিয়ে গাড়িতে বসা জহিরের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে শোভন গাড়িতে থাকা সবাইকে নেমে যেতে বলেন। তারা নেমে গেলে শোভন গাড়ি নিয়ে একটু এগোলে ওই দুজন নেতার মধ্যে হাতাহাতি হয়। তারা বাঁশ ও ইটের টুকরা দিয়ে একে অপরকে আঘাত করেন। এতে দুজনেই আহত হন। তাদের শান্ত করতে গেলে আল নাহিয়ান খান জয়ও আঘাত পান। এ ঘটনা শুনে সভাপতি শোভন ঘটনাস্থলে এসে ওই দুই নেতাকে শান্ত করেন।
শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ জানান, তাদের মধ্যে আদর্শগত বিষয় নিয়ে ঝামেলা হয়েছে। গাড়িতে বসা নিয়ে দ্বন্দ্বের বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেছেন। এসময় তৌহিদুল ইসলাম জহিরকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী, বিএনপি-জামায়াত পরিবারের সন্তান ও শিবির বলে আখ্যায়িত করেন তিনি। এর কোনও প্রমাণ তার কাছে আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ বলেন, ‘এটির প্রমাণ আপনাদের (সাংবাদিকদের) কাছে রয়েছে।’
এ বিষয়ে তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন,‘আমাদের মধ্যে মারামারির কোনও ঘটনা ঘটেনি। বিদ্যুৎ যদি কোনও অভিযোগ করে থাকেন, সেটি তার ব্যক্তিগত বিষয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন বলেন, ‘ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে বিদ্যুৎ ও জহিরের মধ্যে একটু ঝামেলা হয়েছে।'

/আইএ/

x