‘স্ক্রিপ্ট ছাড়া কীভাবে কাজ করছো?’

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ২২:৩০ , নভেম্বর ০৮ , ২০১৯

প্রধানমন্ত্রী জিজ্ঞেস করলেন- ‘তোমরা কী করছো? পাঁচ বছর ধরে কাজ করছো স্ক্রিপ্ট কোথায়?’ আমি বললাম-আমাদের কোনও স্ক্রিপ্ট নেই। আপনি আমাদের স্ক্রিপ্ট, আপনার জীবন আমাদের স্ক্রিপ্ট, আপনার মুখের কথাই আমাদের স্ক্রিপ্ট। বৃহস্পতিবার (৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকা লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিনে বাংলা একাডেমির আব্দুল করিম সাহিত্য বিশারদ কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর নির্মিত ডকু ড্রামা ‘হাসিনা: অ্যা ডটার্স টেল’ প্রদর্শনীর পর এক আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন ডকুড্রামাটির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাতি রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক।

রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক বলেন, আমি এই ডকুড্রামা করতে গিয়ে কোনও চাপ পাইনি। আমি খুবই উৎফুল্ল ছিলাম এটি নির্মাণ নিয়ে। আমি এটা করতে চেয়েছি, কারণ আমি কখনও আমার নানাকে দেখিনি। আমি স্কুলে পড়ার সময় বইতে তার বিষয়ে পড়েছি । আমি খুব কাছে থেকে দেখে থাকলে দেখেছি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে, যিনি আমার খালা হন। আমি চেয়েছি মানুষ তার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে পরিচিত হোক। তিনি কিসের মধ্যে দিয়ে জীবন অতিবাহিত করেছেন তা দেখুক।

নির্মাতা পিপলু আর খান এসময় বলেন, আমার শিক্ষক আমাকে শিখিয়েছিলেন প্রতিটি নির্মাণেই ভুগতে হয়। আমিও ভুগেছি এবং এটাই আমার কাজ। পুরো শুটিং শেষ করার পরও জানতাম না কি তৈরি করেছি। যখন ৩ মিনিটের একটি ট্রেলার বানালাম, তখন দেখে মনে হলো, না আসলে কিছু হচ্ছে। পাঁচ বছর লেগেছে আমাদের কাজটি শেষ করতে।

ডকু ড্রামাটির সঙ্গীত নির্মাতা দেবজ্যোতি মিশ্র বলেন, আমাকে পিপলু জানালো যে পান্নালালের গাওয়া আমার সাধ না মিটিল গানটি লোকসংগীতের মতো তৈরি করতে হবে। তখন আমি তাকে গানটি খালি গলাতেই লোকজ সুরে গেয়ে শুনাই। সে শুনে আমাকে বললো, আমার এটাই লাগবে। অন্য কেউ না আপনি গাইবেন। এরপর আমরা গানটি করি।

তিনি আরও বলেন, আমরা ভারতে থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অনেক কথা শুনেছি। হয়তো এর মধ্যে একটি নয় অনেক গল্পই ছিল। আপনারা সবাই কিন্তু নিজের গল্প নিজেই তৈরি করতে পারেন। তার মধ্যে একটি সেরা গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করা উচিত। আমি জীবনে অনেক সঙ্গীতের মধ্যে অনেক কাজ করেছি অনেক সময় দিয়েছি। আমার কাছে মনে হয় এই ডকুড্রামাটি আমার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ ছিল। আমার আবেগ, আমার আগ্রহ, আমার সবকিছুই এর মধ্যে ছিল।    

 

/এসও/এফএএন

x