টানা দ্বিতীয় জয়ে দুইয়ে দোলেশ্বর

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ১৮:০৮ , মার্চ ১৪ , ২০১৮

ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে জয়ের পথেই আছে প্রাইম দোলেশ্বর। বুধবার তারা ৩ উইকেটে হারিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে। ওদিকে জয়ের পথে ফিরেছে প্রাইম ব্যাংক, শাইনপুকুরকে হারিয়েছে ৫ উইকেটে।

আগের ম্যাচে আবাহনীকে হারিয়ে পাওয়া আত্মবিশ্বাস কাজে লাগিয়েছে দোলেশ্বের। বিকেএসপির ৩ নম্বর মাঠে অগ্রণী ব্যাংককে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তারা। ১০ ম্যাচ শেষে দোলেশ্বরের পয়েন্ট ১৩, সমান ম্যাচে ১ পয়েন্ট বেশি নিয়ে শীর্ষে আবাহনী। নির্ধারিত ৫০ ওভারে অগ্রণী ব্যাংকের ৭ উইকেটে করা ২০৩ রানের জবাবে ২২ বল আগে দোলেশ্বর জয় নিশ্চিত করে ৭ উইকেট হারিয়ে।

স্কোরের দিকে নজর দিলেই বোঝা যাচ্ছে ম্যাচে দাপট দেখিয়েছেন বোলাররাই। দোলেশ্বেরের শরিফউল্লাহ (৩/৩৫) ও জোহাইব খানের (৩/৩৭) বোলিংয়ের সামনে ভেঙে পড়ে অগ্রণী ব্যাংকের টপ অর্ডার। শেষ দিকে শামসুল ইসলামের (৬৪*) অপরাজিত হাফসেঞ্চুরির সঙ্গে ইসলামুল আহসানের ৪৬ রানের ওপর ভর দিয়ে তাদের স্কোর ২০০ ছাড়ায়।

সেই লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতে বিপদে পড়ে দোলেশ্বর। শফিউল ইসলাম (২/৩৫) ও আব্দুর রাজ্জাকের (২/৩৪) নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ফরহাদ রেজারা। তবে মার্শাল আইয়ুব (৪২), ফরহাদ হোসেন (৪৯) ও জোহাইব খানের (৪১) কার্যকরী ইনিংসগুলোতে জয় নিশ্চিত করতে কোনও অসুবিধা হয়নি দোলেশ্বরের। বোলিংয়ের পর ব্যাট হাতে দলের জয়ে অবদান রাখায় ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন পাকিস্তানি অলরাউন্ডার জোহাইব।

মিরপুরের ম্যাচে জয় পেতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি প্রাইম ব্যাংকের। গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে হারের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠে তারা দলের অলরাউন্ডিং পারফরম্যান্সে। প্রাইম ব্যাংকের বোলারদের দাপটে শাইনপুকুর ৪৯.৫ ওভারে অলআউট ২৫১ রানে। লক্ষ্যটা ২০ বল আগেই প্রাইম ব্যাংক পেরিয়ে যায় ৫ উইকেট হারিয়ে।

শরিফুল ইসলাম (৩/৪৬), মনির হোসেন (৩/৪০) ও এনামুল হক জুনিয়রের (২/৪৭) বোলিংয়ের সামনে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি শাইনপুকুরের ব্যাটসম্যানরা। ওপেনিংয়ে সাদমান ইসলাম খেলেন ৪৪ রানের ইনিংস। সর্বোচ্চ ৫২ রান করেন উদয় কল। আর ৩৯ রান আসে তৌহিদ হৃদয়ের ব্যাট থেকে।

শাইনপুকুরের বোলাররা শুরুতে প্রাইম ব্যাংককে চেপে ধরলেও হার ঠেকাতে পারেননি। হার না মানা ৭৩ রানের ইনিংস খেলে দলের জয় নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন নাহিদুল ইসলাম। ৭৮ বলের ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ৬ চার ও ১ ছক্কায়। তার সঙ্গে মেহেদি মারুফ ৪১, আল-আমিন ৩৫ ও ইউসুফ পাঠান করেন ৩২ রান। হার না মানা হাফসেঞ্চুরিতে ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে নাহিদুলের হাতে।

/কেআর/

x