পেরিশিচের গোলে ক্রোয়েশিয়ার সমতা

স্পোর্টস ডেস্ক ০১:২৮ , জুলাই ১২ , ২০১৮

ইভান পেরিশিচের গোলে ক্রোয়েশিয়া ফেরে সমতায়সমতায় ফিরতে নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়ে লড়ছিল। ফুটবলদেবতা হতাশ করেননি ক্রোয়েশিয়াকে। ইভান পেরিশিচের লক্ষ্যভেদে ১-১ সমতায় ফিরেছে মস্কোর সেমিফাইনাল। এর আগে কিয়েরন ট্রিপিয়ারের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইংল্যান্ড।

বিরতিতে থেকে ঘুরে এসে সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। যদিও সুবিধা করতে পারছিল না ইংল্যান্ডের কড়া রক্ষণের সামনে। অবশেষে ৬৮ মিনিটে আসে সেই মধুর সময়, যখন পেরিশিচের চমৎকার গোলে খেলায় ফেরে ক্রোয়েটরা।

ডানপ্রান্ত থেকে শিমে ভ্রাসাইকোর ক্রস বক্সের ভেতর থেকে অনেকটা পা উঁচিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন পেরিশিচ। ইংলিশ ডিফেন্ডার ওয়াকার নিচু হয়ে হেড করার চেষ্টা করলেও পেরিশিচের পা খুঁজে নেয় বল, আর সেই পায়ের ছোঁয়ায় বল জড়িয়ে যায় জালে।

এর আগে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে প্রথমার্ধ শেষ করেছিল ইংলিশরা। ম্যাচ ঘড়ির সময় পেরিয়েছে তখন মোটে ৫ মিনিট, ওই সময়ই ইংল্যান্ডকে লিড এনে দেন ট্রিপিয়ার। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে নেওয়া চমৎকার ফ্রি কিক জালে জড়িয়ে গ্যালারিতে আনন্দের ঢেউ তোলেন তিনি। ডেলে আলীকে বক্সের বাইরে লুকা মদরিচ ফাউল করলে রেফারি বাজান পেনাল্টির বাঁশি। ম্যাচের প্রথম সুযোগটা কাজে লাগাতে ভুল করেননি ট্রিপিয়ার। এই রাইট ব্যাক ক্রোয়েশিয়ার মানব দেয়ালে ওপর দিয়ে বাঁকানো ফ্রি কিকে করেন লক্ষ্যভেদ।

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে ফ্রি কিক গোল দেখা গেলেও নকআউট পর্বে পাওয়া যায়নি। সেই ‘আক্ষেপ’ই দূর করলেন ট্রিপিয়ার। রাশিয়া বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এটাই প্রথম ফ্রি কিক গোলের প্রথম উদাহরণ।

ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুবর্ণ সুযোগ পেয়েছিল ইংল্যান্ড। এবারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার আগে থাকা হ্যারি কেইন পারলেন না নিজের গোল সংখ্যা বাড়িয়ে নিতে। একেবারে ফাঁকা জায়গা থেকে সামনে শুধু গোলরক্ষক দানিয়েল সুবাসিচকে একা পেয়েও লক্ষ্যভদ করতে ব্যর্থ ইংলিশ অধিনায়ক! ৩০তম মিনিটে জেসি লিনগার্ডের ডিফেন্সচেড়া পাস নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গোলমুখে শট করলেও প্রতিহত করেন সুবাসিচ। ফিরতি বলে আবারও শট করেছিলেন টটেনহাম স্ট্রাইকার, তবে ততক্ষণে সহাকারী রেফারি জানান তিনি অফসাইড।

পরের মিনিটেই সমতায় ফেরার সুযোগ তৈরি করে ক্রোয়েশিয়ার। তবে ভাগ্য সহায় হয়নি তাদের। ডানপ্রান্ত থেকে আন্তে রেবিচ দারুণ এক ক্রস করেছিলেন, ইংলিশ ডিফেন্ডান জন স্টোনস ‘ক্লিয়ার’ না করলে বিপদ হতেই পারতো। এরপরও শঙ্কা তৈরি হয় ফিরতি বলে রেবিচ শট করলে, যদিও ইংলিশ গোলরক্ষক পিকফোর্ড সহজেই প্রতিহত করেন তার শট।

/কেআর/

x