এমিলের হ্যাটট্রিকে গ্রুপসেরা আরামবাগ

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট ২০:৫৫ , ডিসেম্বর ০৭ , ২০১৮

আরামবাগের ফরোয়ার্ড পল এমিলকে আটকাতে পারেনি সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব২০১৬ সালে ছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রে। গত বছর ঢাকার মাঠে তাকে দেখা যায়নি। এবার আরামবাগের জার্সিতে খেলতে নেমেই দুর্দান্ত পারফরম্যান্স পল এমিলের। ক্যামেরুনের এই ফরোয়ার্ডের হ্যাটট্রিকে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবকে ৩-১ গোলে হারিয়ে স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আরামবাগ।

‘এ’ গ্রুপে টুর্নামেন্টের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা জয় পেয়েছে দুই ম্যাচেই। একটি জয় ও একটি পরাজয় নিয়ে গ্রুপ রানার্স-আপ হিসেবে কোয়ার্টার ফাইনালে আরামবাগের সঙ্গী সাইফ স্পোর্টিং। গ্রুপের তৃতীয় দল বিজেএমসি দুই ম্যাচেই হার মেনেছে।

শুক্রবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথম গোলের জন্য দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে আরামবাগকে। ষষ্ঠ মিনিটে এমিল বক্সে ঢুকে শট নেওয়ার আগে সাইফ স্পোর্টিংকে রক্ষা করেন গোলকিপার জিয়াউর রহমান। তিন মিনিট পর এমিলের পাস বক্সের ভেতরে পেলেও প্লেসিং করতে পারেননি নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড চিনেদু ম্যাথিউ। ২৭ মিনিটে এমিলের প্রচেষ্টা প্রতিহত হয় জিয়ার পায়ে লেগে।

খেলার ধারার বিপরীতে ৩৭ ও ৩৮ মিনিটে পরপর দুটো সুযোগ পায় সাইফ স্পোর্টিং। প্রথমবার ফরোয়ার্ড মারাজ হোসেনের শট চলে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। এরপর রুশ ফরোয়ার্ড দেনিস বলশেকভের শট হয় লক্ষ্যভ্রষ্ট।

বিরতির ঠিক আগে এগিয়ে যায় আরামবাগ। ডিফেন্ডার পারভেজ মিয়ার লং পাস সাইফের এক ডিফেন্ডার ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে জোরালো শটে লক্ষ্যভেদ করেন এমিল।

বিরতির পর প্রথম সুযোগ পায় সাইফ। কিন্তু ৫২ মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়ান ফরোয়ার্ড সিউনগিল পার্কের শট ক্রসবার উঁচিয়ে হতাশ করে তাদের। ১০ মিনিট পর ফরোয়ার্ড আরিফুর রহমানের স্কয়ার পাস থেকে এমিলের প্লেসিং শটে দ্বিগুণ হয় ব্যবধান।

৬৮ মিনিটে জামাল ভূঁইয়া জোরালো শটে ব্যবধান কমালেও সমতা ফেরাতে পারেনি সাইফ। ৮০ মিনিটে এমিলের হ্যাটট্রিক গোলে জয় নিশ্চিত হয়ে যায় আরামবাগের।

টুর্নামেন্টের প্রথম হ্যাটট্রিক করে এমিল উচ্ছ্বসিত। ম্যাচশেষে তিনি বলেছেন, ‘আমার হ্যাটট্রিকে দল জিতেছে, তাই আমি দারুণ খুশি। দলকে শিরোপা এনে দেওয়াই আমার লক্ষ্য।’

/টিএ/এএআর/

x