শাওমি’র ইলেক্ট্রিক সাইকেল ও স্কুটি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

দায়িদ হাসান মিলন ১৭:০৮ , জানুয়ারি ১৩ , ২০১৮

শাওমি’র ইলেক্ট্রিক সাইকেল ও স্কুটি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়‘দারুণ একটা সাইকেল, আমার খুব পছন্দ হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই এটা কিনবো আমি’— ইলেক্ট্রিক সাইকেল নিয়ে বলছিলেন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সিফাত আহমেদ। রাজধানীর আগারগাঁওস্থ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলার শেষ দিনে সকালেই চলে আসেন তিনি।

সিফাত বাংলা ট্রিবিউনকে জানালেন, বন্ধুদের কাছে শুনে শাওমির ইলেক্ট্রিক সাইকেল দেখতে এসেছেন তিনি। সঙ্গে পেয়ে যান শাওমির আরেক আকর্ষণ ইলেক্ট্রিক স্কুটি। শুধু তিনিই নন, মেলায় এই দুটি পণ্য দেখতে ভিড় করছেন প্রচুর দর্শনার্থী।

জানা যায়, ২০১৭ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশে আসে ইলেক্ট্রিক সাইকেল ও ইলেক্ট্রিক স্কুটি। এবারই প্রথম এ ধরনের মেলায় এই দুটি পণ্যের প্রদর্শনী হচ্ছে। এ কারণে স্বাভাবিকভাবেই এগুলোর প্রতি দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বেশি।

শাওমির স্টলে সেবাদানকারী মোহাম্মদ গোলাম মুবিন বলেন, ‘ইলেক্ট্রিক সাইকেল ও স্কুটি দেখতে আসা দর্শনার্থীদের ভিড় সামলাতে হিমশিম খাচ্ছি আমরা। এগুলো দেখতে প্রচুর মানুষ আসছেন। পছন্দ হয়ে গেলে কেউ কেউ অর্ডারও করছেন।’

এই ইলেক্ট্রিক স্কুটির প্রকৃত নাম ‘কাইসাইকেল’। চীনে অবশ্য এটি ‘চি’ সাইকেল হিসেবে পরিচিত। ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার গতিবেগের এই ইলেক্ট্রিক যানটি একবার চার্জ দিলে চলবে ৪৫ কিলোমিটার। ইলেক্ট্রিক হলেও এটি প্যাডেল দিয়ে চালানোরও ব্যবস্থা আছে।

আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এই সাইকেলে রয়েছে জিপিএস সিস্টেম। এর মাধ্যমে সাইকেলটি কোথায় আছে তা জানা যাবে। এছাড়া এটি সর্বোচ্চ কত গতিতে চালানো হয়েছে ও কত কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করা হয়েছে; সবই জানা যাবে ডিজিটাল স্ক্রিনের মাধ্যমে।

শাওমি’র ইলেক্ট্রিক সাইকেল ও স্কুটি দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়সাইকেলটি প্রসঙ্গে শাওমি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী দেওয়ান কানন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘স্মার্ট রাইডারদের জন্যই এই স্মার্ট বাইক। এতে জিপিএস ট্র্যাকার আছে। ফলে বাইকটি কোথায় আছে তা জানা যাবে।’

শাওমি বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী আরও বলেন, ‘আমাদের কিছু ইকো পণ্যের প্রচারণা করা হবে অনলাইনে। ফলে ক্রেতারা কম দামে ইকো পণ্য কিনতে পারবেন।’

এদিকে মেলায় নিয়ে আসা শাওমি’র ইলেক্ট্রিক স্কুটিও অত্যাধুনিক ফিচারসম্পন্ন। চার্জের পাশাপাশি এটি পায়ে চালানোর ব্যবস্থাও আছে। গতি কমানোর জন্য এতে সংযোজন করা হয়েছে আধুনিক ব্রেক। এটি ঘণ্টায় ১২ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে চলতে সক্ষম।

মেলা উপলক্ষে ১০ শতাংশ ছাড়ে ইলেক্ট্রিক সাইকেলটি বিক্রি হচ্ছে ৭৪ হাজার ৯৯০ টাকায়। আর স্কুটি বিক্রি হচ্ছে ৬৫ হাজার টাকায়। দুটি পণ্যেই রয়েছে ১ বছরের ওয়ারেন্টি। তবে ব্যাটারির ক্ষেত্রে ছয় মাসের ওয়ারেন্টি প্রযোজ্য হবে।

 

/এসএসএ/জেএইচ/

x