রবি চালু করলো সামাজিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি #কমনসেন্স

টেক রিপোর্ট ১৮:১৭ , ফেব্রুয়ারি ১১ , ২০১৯

হ্যাশট্যাগ কমনসেন্স কর্মসূচিডিজিটাল জীবনধারা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে তৈরি হওয়া নানা সামাজিক সমস্যার বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে #কমনসেন্স নামে একটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি। ডিজিটাল সেবা গ্রহণের সময় কোন কোন বিষয়ে সচেতন থাকা উচিত সে বিষয়গুলো তুলে ধরাই এ ক্যাম্পেইনের লক্ষ্য।

সোমবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর গুলশানের একটি সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জাতীয় অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান। এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান এবং অভিনেতা ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন।

অনুষ্ঠানে রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ, হেড অব কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স সাহেদ আলম, মিডিয়া, কমিউনিকেশন অ্যান্ড সাস্টেইনেবিলিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইকরাম কবীর উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনটি সচেতনতামূলক ভিডিও প্রকাশ করা হয়। এই ভিডিওগুলো বাস্তব জীবনের আবহ দিয়ে সাজানো। ভিডিওগুলোতে সত্যতা যাচাই না করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কনটেন্ট শেয়ার করা, শিশুদের মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় খেয়াল না রাখা এবং গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করার মতো ভুলগুলো তুলে ধরা হয়েছে। আগামীতে এ ভিডিওগুলো বিভিন্ন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচার করা হবে।

ড. আনিসুজ্জামান বলেন, আজ যে প্রাচীন প্রথাগুলো সমাজে প্রচলিত এগুলো সামাজিক স্থিতিশীলতার লক্ষ্যেই সৃষ্টি হয়েছিল। এ প্রথাগুলো যখন চালু হয়েছিল তখন অনেকেই এগুলো নিয়ে হাসাহাসি করেছিল, ঠিক যেমনটি হতে পারে আজকের #কমনসেন্স নিয়ে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, ডিজিটাল জীবনধারায় উদ্ভুত সামাজিক সমস্যগুলো মোকাবেলায় এ ধরনের পদক্ষেপ জরুরি। তিনি আরও বলেন, আমাদের যা প্রয়োজন তা হচ্ছে সঠিক দিক-নির্দেশনা; ঠিক #কমনসেন্স যা করছে। আমার বিশ্বাস, টেলিযোগাযোগ শিল্পের অন্যরাও এ পদক্ষেপকে একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে অনুসরণ করবে, তা নাহলে আমাদের মানবিক বোধ নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।

প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান বলেন, শুধু মোবাইল নয়, প্রাত্যহিক জীবনের নানা বিষয়ে আমাদের কমনসেন্স বা কাণ্ডজ্ঞানের অভাব আছে। মোবাইল নিয়ে সচেতনতা তৈরিতে রবির এ চেষ্টাকে আমরা সমর্থন করি।    

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, একটি সচেতন কোম্পানি হিসেবে আমরা #কমনসেন্স’র মতো পদক্ষেপ হাতে নিয়েছি। আমরা এই প্ল্যাটফর্মটিকে নৈতিক মানদণ্ডে উন্নীত করতে চাই যেন তা সুস্থ ধারার ডিজিটাল জীবনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

/এইচএএইচ/

x